অসহায় আত্মসমর্পণে সিরিজ হারল বাংলাদেশ

15

পঞ্চমদিন লড়াইয়ের আশা দেখিয়ে প্রতিপক্ষ শ্রীলঙ্কার কাছে নিজেদের যেন সপে দিলেন বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানরা। এক ঘণ্টার মধ্যে ৫০ রান তুলে ২২৭ রানে অলআউট হয়ে ২০৯ রানের বড় হার হজম করতে হয়েছে তামিম ইকবালদের।

পাল্লেকেলে টেস্টে শ্রীলঙ্কা ৪৩৭ রানের লক্ষ্য দিয়েছিল বাংলাদেশকে। এই পথে হাঁটতে গিয়ে রবিবার ৫ উইকেটে ১৭৭ রান তোলেন তামিমরা। সোমবার ২২৭ করতেই সবাই প্যাকেট!

শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টেস্টে বাংলাদেশের বড় হার আছে অনেকগুলো। এর মধ্যে ২০০৯ জালে চট্টগ্রামে হারতে হয়েছিল ৪৬৫ রানে। সেটিই এ যাবতকালের বড় হার বাংলাদেশের। লঙ্কানদের বিপক্ষে পরের বড় হারটি ২০০২ সালে, ২৮৮ রানে। কলম্বোতে। এরপর ২০১৭ সালে গলে হারতে হয়েছিল ২৫৯ রানে।

প্রাভিন জয়াবিক্রমার রেকর্ডের কাছে নতজানু হতে হয়েছে বাংলাদেশি ব্যাটসম্যানদের। ২২ বছর বয়সী এই তরুণ শ্রীলঙ্কার প্রথম ক্রিকেটার হিসেবে অভিষেকে ১১ উইকেট নিলেন। ম্যাচে তিনি ১৭৮ রান খরচ করেছেন।

সোমবার তৃতীয় ওভারেই উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জয়াবিক্রমার বলে প্রথম ইনিংসের মতো দ্বিতীয় ইনিংসেও সাজঘরে ফেরেন লিটন দাস। ডিফেন্স করতে গিয়েছিলেন। লাইন মিস করে বল লাগে প্যাডে। জোরালো আবেদনে আউট হওয়ার পর রিভিউ নিয়েও টিকতে পারেননি।

লিটন ফেরেন ৪৬ বলে ১৭ রান করে। তাইজুল ইসলাম থাকেন ৩০ বল। কিছুটা সময় দৃঢ়তা দেখানোর পর ধনঞ্জয়া ডি সিলভার অনেক বাইরের বল তাড়া করে ২ রান করা তাইজুল ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে।

তাসকিন আহমেদকে তুলে নেন রমেশ মেন্ডিস। এদিন সকালে যা রান আসছিল সবই মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে। সুইপ করে রান বের করছিলেন। সেই সুইপই কাল হয় তার।

জয়াবিক্রমার বলে তাকে সুইপের চেষ্টায় দেখে বুদ্ধি করে ফরোয়ার্ড শর্ট লেগ থেকে লেগ স্লিপের দিকে আগেভাগে ছুটে যান পাথুম নিশাকা। নেন দারুণ ক্যাচ।

আর ৩ বল বাদে আবু জায়েদ রাহিকে তুলে ইনিংস শেষ করেন জয়াবিক্রমা।

পূর্ববর্তী নিবন্ধমেসির জাদুতে বার্সেলোনার গুরুত্বপূর্ণ জয়
পরবর্তী নিবন্ধস্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ হেফাজতের শফিপন্থি নেতাদের