এবারের কান চলচিত্র উৎসবে বাংলাদেশসহ বিশ্বের যত সিনেমা

7

অস্কারের পর একটু ভিন্ন স্বাদের সিনেমার জন্য যারা মুখিয়ে থাকেন তাদের জন্যই কান চলচ্চিত্র উৎসব। এখানে মনোনীত বেশিরভাগ ছবিই দেখা যায় বক্স অফিসে তেমন সাড়া ফেলে না। তবে পার্থক্য হলো, সব দেশেরই মূলধারার বাইরের ছবিগুলোকে এখানে সমান গুরুত্ব দিয়ে বিচার করা হয়। এবারের উৎসবটি চলবে ৬ থেকে ১৭ জুলাই পর্যন্ত।

অফিসিয়াল সিলেকশন বলে একটা বিষয় আছে কানের। তাতে এবার বাংলাদেশের নির্মাতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদের ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ জায়গা করেছে ‘উন সারটেইন রিগার্ড’ ক্যাটাগরিতে। প্রতিযোগিতার বাইরে থাকা এ তালিকায় আরও অনেকে আছেন। আবার ক্যাটাগরিও আছে অনেকগুলো।

এবার কমপিটিশন বিভাগে মনোনীত ছবিগুলো:

কানের রাত শুরু হবে নামকরা ফরাসি পরিচালক লিও কারাক্সের ছবি ‘আনেত্তে’ দিয়ে। এরপর একে একে থাকছে-

দ্য স্টোরি অব মাই ওয়াইফ (হাঙ্গেরি), পরিচালক- ইলদিকো এনইয়েদি।

বেনেদেত্তা (নেদারল্যান্ডস), পরিচালক- পল ভেরহোয়েভেন।

বার্গম্যান আইল্যান্ড (ফ্রান্স), পরিচালক- মিয়া হানসেন লাভ।

ড্রাইভ মাই কার (জাপান), পরিচালক- রিউসুকে হামাগুচি।

ফ্ল্যাগ ডে (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- শন পেন।

আহেডস নি (ইসরায়েল), পরিচালক- নাদাভ লাপিদ।

ক্যাসাব্লাঙ্কা বিটস (মরক্কো), পরিচালক- নাবিল আইউচ।

কমপার্টমেন্ট নং-৬ (ফিনল্যান্ড), পরিচালক- জুহো কুসোমানেন।

দ্য ওয়ার্স্ট পারসন ইন দ্য ওয়ার্ল্ড (নরওয়ে), পরিচালক- জোয়াকিম ত্রিয়ের।

লা ফ্রাকচার (ফ্রান্স), পরিচালক- ক্যাথরিন কোরসিনি।

দ্য রেস্টলেস (বেলজিয়াম), পরিচালক- জোয়াকিম লাফোসসে।

প্যারিস থার্টিনথ ডিসট্রিক্ট (ফ্রান্স), পরিচালক- জ্যাক অদিয়ার্দ।

লিংগুই (শাদ), পরিচালক- মোহাম্মদ সালেহ হারুন।

মেমোরিয়া (থাইল্যান্ড), পরিচালক- আপিচাতপং উইরাসেথাকাউল।

নাইট্রাম (অস্ট্রেলিয়া), পরিচালক- জাস্টিন কুরজেল।

ফ্রান্স (ফ্রান্স), পরিচালক- ব্রুনো ডুমোন্ট।

পেত্রোভ’স ফ্লু (রাশিয়া), পরিচালক- কিরিল সেরেব্রেনিকোভ।

রেড রকেট (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- শন বেকার।

দ্য ফ্রেঞ্চ ডিসপ্যাচ (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- ওয়েস অ্যান্ডারসন।

টাইটেইন (ফ্রান্স), পরিচালক- জুলিয়া ডুকোরুঁ।

ত্রে পিয়ানি (ইতালি), পরিচালক- ন্যানি মরেত্তি।

টুট সেস্ত বিয়েন পাসসে (ফ্রান্স), পরিচালক- ফ্রাঁসোয়া ওজোঁ।

আ হিরো (ইরান), পরিচালক- আসগর ফরহাদি।

প্রতিযোগিতার বাইরে

ডি সন ভাইভান্ট (ফ্রান্স), পরিচালক- ইমানুয়েল বারকোট।

ইমার্জেন্সে ডিক্লারেশন (কোরিয়া), পরিচালক- হ্যান জি-রিম।

দ্য ভেলভেট আন্ডারগ্রাউন্ড (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- টপ হেইনস।

ব্যাক নর্ড (ফ্রান্স), পরিচালক- সেদ্রিক জিমেনেজ।

অ্যালাইন, দ্য ভয়েস অব লাভ (ফ্রান্স), পরিচালক- ভেলেরি লেমারসিয়ের।

স্টিলওয়াটার (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- টম ম্যাকার্থি।

উন সারটেইন রিগার্ড

রেহানা মরিয়ম নূর (বাংলাদেশ), পরিচালক- আবদুল্লাহ মো. সাদ।

মানিবয়েস (অস্ট্রিয়া), পরিচালক- সি. বি ই।

ব্লু বেউ (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- জাস্টিন চন।

ফ্রেদা (হাইতি), পরিচালক- জেসসিয়া জেনেউস।

হাউস অ্যারেস্ট (রাশিয়া), পরিচালক- আলেক্সি জারমান জুনিয়র।

বোননে মেরে (ফ্রান্স), পরিচালক- হাফসিয়া হারজি।

নচে ডি ফুয়েগো (মেক্সিকো), পরিচালক- তাতিয়ানা হুয়েজো।

ল্যাম্ব (আইসল্যান্ড), পরিচালক- ভালদিমার জোহানসন।

কমিটমেন্ট হাসান (তুরস্ক), পরিচালক- হাসান কাপলানোগলু।

আফটার ইয়াং (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- কোগোনাদা।

লেট দেয়ার বি মর্নিং (ইসরায়েল), পরিচালক- ইরান কোলিরিন।

আনক্লিংচিং দ্য ফিস্ট (রাশিয়া), পরিচালক- কিরা কোভালেংকো।

উইম্যান ডু ক্রাই (বুলগেরিয়া), পরিচালক- মিনা মিলেভা ও ভেসেলা কাজাকোভা।

গ্রেট ফ্রিডম (অস্ট্রিয়া), পরিচালক- সেবাস্তিয়ান মেইজ।

লা সিভিল (বেলজিয়াম), পরিচালক- তিয়োদোরা আনা মিহাই।

গেইই ওয়া’র (চীন), পরিচালক- না জিয়াজু।

দ্য ইনোসেন্টস (নরওয়ে), পরিচালক- এসকিল ভোগট।

উন মনদে (বেলজিয়াম), পরিচালক- লরা ওয়ানদেল।

মিডনাইট স্ক্রিনিং বিভাগে মনোনীত হয়েছে ফ্রান্সের জ্যঁ ক্রিস্টোফ মিউরিজের পরিচালিত ‘ব্লাডি অরেঞ্জেস’ ছবিটি।

কান প্রিমিয়ার

হোল্ড মি টাইট (ফ্রান্স), পরিচালক- ম্যাথু আমালরিক।

কাউ (যুক্তরাজ্য), পরিচালক- আন্দ্রিয়া আরনল্ড।

লাভ সংস ফর টাফ গাইজ (ফ্রান্স), পরিচালক- স্যামুয়েল বেনচেটট্রিট।

ডিসিপশন (ফ্রান্স), পরিচালক- আরনদ ডেসপ্লেনচিন।

জেইন পার শারলোট (ফ্রান্স), পরিচালক- শারলট গেইনসবার্গ।

ইন ফ্রন্ট অব ইওর ফেইস (কোরিয়া), পরিচালক- হং সাং সু।

মাদারিং সানডে (ফ্রান্স), পরিচালক- ইভা হুসোন।

ইভোল্যুশন (হাংগেরি), পরিচালক- কোরনেল মুনদরুকজো।

ভাল (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক- টিং পু ও লিও স্কট।

জেএফকে রিভিজিটেড: থ্রু দ্য লুকিং গ্লাস (যুক্তরাষ্ট্র), পরিচালক-অলিভার স্টোন।

বিশেষ স্ক্রিনিং

মেরিনার অব দ্য মাউন্টেনস (ব্রাজিল), পরিচালক- করিম আইনুজ।

ব্ল্যাক নোটবুকস (ইসরায়েল), পরিচালক- শোলমি এলকাবেৎজ।

বাবি ইয়ার কনটেক্সট (ইউক্রেইন), পরিচালক- সারজেল লোজনিটসা।

দ্য ইয়ার অব দ্য এভারলাস্টিং স্টর্ম (থাইল্যান্ড), সাতটি দেশের সাতজন পরিচালক এটি তৈরি করেছেন।

স্বাস্থ্যবিধি নিয়েও থাকছে কড়াকড়ি। অংশ নিতে চাইলে উৎসব শুরুর ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে থাকতে হবে করোনা নেগেটিভের সনদ। নিতে হবে ভ্যাকসিনের ডাবল ডোজ। উৎসবে থাকছে একজন করোনা টেস্ট পার্টনারও। পালাই শহরের কাছে থাকা ওই সেন্টারে অংশগ্রহণকারীদের জন্য থাকছে বিনামূল্যে করোনা পরীক্ষার সুযোগ।

নিউজ হান্ট/ইস

পূর্ববর্তী নিবন্ধআর্জেন্টিনায় ম্যারাডোনার ভাস্কর্য উন্মোচন করল মেসিরা
পরবর্তী নিবন্ধবিশ্বে করোনায় মৃত্যু ৩৭ লাখ ছাড়ালো