এ আর রহমানের সম্পদ কত?

16

স্বপ্ন এবং সাধনা মানুষকে সফলতার চূড়ান্ত শেখরে নিতে পারে। কোনো ইচ্ছাকে বাস্তবে রূপ দিতে গেলে তার জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রমের। এই কথাকে আরও সত্য প্রমাণিত করেছেন ভারতের অস্কারবিজয়ী কিংবদন্তী সংগীতজ্ঞ এ আর রহমান।

ভারত, যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছে তার একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি। গ্যারেজে রয়েছে বিলাসবহুল গাড়ি। চেষ্টা দিয়ে সাফল্য মিলেছে তার, গড়েছেন অঢেল সম্পত্তি। বিশ্বের বহু মানুষের অনুপ্রেরণা তিনি।

মাত্র ৪ বছর বয়সে কিবোর্ড বাজানো শিখে ফেলেছিলেন এ আর রহমান। তারপরই সুরের জগতের প্রতি আলাদা ভালবাসা অনুভব করতে শুরু করেন তিনি। ৯ বছর বয়সে তার বাবার মৃত্যু হয়। খেলাধুলা করার সেই বয়সেই পরিবারের সমস্ত ভার কাধে তুলে নিতে হয় তাকে।

পরবর্তীকালে ‘রুটস’ নামে একটি গানের ব্যান্ড এর সঙ্গে যুক্ত হন এই কিংবদন্তি শিল্পী। ওই ব্যান্ডে কিবোর্ড বাজাতেন তিনি। সেখান থেকে যা উপার্জন করতেন তা দিয়েই সংসার চালাতেন। কঠোর পরিশ্রমের পর ২০০৮ সালে ‘স্লামডগ মিলিয়নিয়র’ এর সৌজন্যে অস্কার পান। তারপরই কেরিয়ার সাফল্যের শিখরে পৌঁছে যায়।

গানের জন্য মাঝে মধ্যেই বিভিন্ন শহরে যেতে হয়। সবচেয়ে বেশি যাতায়াত রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলসে। তাই দেশের পাশাপাশি লস অ্যাঞ্জেলসেও বাড়ি রয়েছে তার।

ভারতের চেন্নাই এবং মুম্বাইয়েও বাড়ি রয়েছে। কোনো গানে সুর দেওয়ার আগে প্রচণ্ড মনোযোগ প্রয়োজন। চেন্নাইয়ের বাড়ির অন্দরমহল তার জন্য উপযুক্ত। পরিবেশও তেমনই শান্ত। এই বাড়ির মধ্যে আস্ত মিউজিক স্টুডিও গড়ে তুলেছেন তিনি। লস অ্যাঞ্জেলসের বাড়িতেও রয়েছে স্টুডিও। চেন্নাইয়ের বাড়িটিই যেন একটি পিয়ানো। যার সামনে বসার ব্যবস্থাও রয়েছে।

চেন্নাই এবং লস অ্যাঞ্জেলসে বাড়িটির মূল্য কত জানা যায়নি, তবে তার মুম্বাইয়ের বাড়িটির মূল্য কত জানেন? ১৫ কোটি টাকা দিয়ে ২০০১ সালে বাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। এ ছাড়া জাগুয়ার, মার্সিডিজসহ একাধিক দামি গাড়ি রয়েছে এ আর রহমানের গ্যারেজে। সূত্র: আনন্দবাজার

নিউজ হান্ট/কেএইচ