কালবৈশাখী ঝড়ের সাথে গরম বাতাসে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি

28

হুমায়ুন কবির কেন্দুয়া(নেত্রকোনা)প্রতিনিধি:হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ে ধানক্ষেতের উপর দিয়ে গরম বাতাস বয়ে যাওয়ায় নেত্রকোনা জেলার কেন্দুয়া উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাওরে হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান,রোববার বিকালে হঠাৎ কালবৈশাখী ঝড়ের সময় গরম বাতাস বইতে শুরু করে, এই গরম বাতাসের ফলে হাওরের হাইব্রিড জাতের বোরো ধানের শীষ সাদা হয়ে গেছে।

এ বিষয়ে কান্দিউড়া ইউনিয়নের দীঘলকুর্শা গ্রামের কৃষক সেলিম মিয়া জানান,গতকাল রোববার বিকালে থেকে শুরু হওয়া কালবৈশাখীর গরম বাতাসে তাদের জমির ধান পুড়ে গিয়েছে।

আরেক কৃষক জাহিম মিয়া জানান, কান্দিউড়া ইউনিয়নের তারাকান্দিয়া- দীর্ঘলকুশা গ্রামের প্রায় দুই শতাধিকের উপর কৃষকের জমির হাইব্রিড জাতের ধান গরম বাতাসে পুড়ে গিয়েছে।

এ ছাড়াও উপজেলার নওপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সফিকুল ইসলাম,আশুলিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ.রফিকুল ইসলাম,মোফাফরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী ও রোয়াইবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এস,এম ইকবাল রুমিসহ আরো অনেকেই জানান,রোববার বিকাল থেকে শুরু হয়ে রাত পর্যন্ত চলা কালবৈশাখী ঝড়ের সময় গরম বাতাসে হাইব্রিড জাতের ধানের শীষ সাদা হয়ে গেছে। এতে করে কৃষক ভাইদের মাঝে একটি হাহাকার সৃষ্টি হয়েছে। এবং কৃষক বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।

এ বিষয়ে সোমবার উপজেলা কৃষি অফিসার এ.কে এম.শাহজাহান কবির বলেন, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের উপর দিয়ে বয়ে যাওয়া কালবৈশাখী ঝড়ের সময় গরম বাতাস শুরু হয়। এতে করে যে সমস্ত হাওরের জমিতে ধানের শীষ এসেছিল সেই সমস্ত জমির ধান নষ্ট হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমাদের উপকৃষি কর্মকর্তারা মাঠে গিয়েছেন কৃষক ভাইদের সাথে কথা বলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করার কাজ চলছে। তালিকা সংগ্রহ করা হলে বলা যাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ।

কেন্দুয়া উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে ১৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা মিলে ২০ হাজার ৭শত ৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ করা হয়েছিল। যা গত বছরের তুলনায় বেশি।

নিউজ হান্ট/এসএম