ঝোপ বুঝে কোপ মারছে ‘তিন চাকার যান’

34

মহামারী করোনার দ্রুত বিস্তার ঠেকাতে চলমান নিষেধাজ্ঞার দ্বিতীয় দিনে রাজধানীতে একইচিত্র দেখা গেছে। গণপরিবহন বন্ধ থাকায় রাস্তায় চলছে রিকশা, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও ব্যক্তিগত গাড়ির রাজত্ব।

কোথাও কোথাও তৈরি হচ্ছে হালকা যানজট। সীমিত পরিসরে সরকারি-বেসরকারি অফিস ও আদালত খোলা থাকায় আজও সকালে রাস্তায় বের হয়ে ভোগান্তিতে পড়েন চাকরিজীবী ও শ্রমজীবী মানুষ।

অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। অনেকে আবার দীর্ঘপথ হেঁটে রওনা হন অফিসে। অনেকে বাধ্য হয়ে দ্বিগুণ ভাড়া দিয়েই যাচ্ছেন রিকশা ও সিএনজিতে।

নিউমার্কেট থেকে রিকশাযোগে মতিঝিল যাচ্ছিলেন বেসরকারি ব্যাংকে কর্মরত সালাউদ্দিন। তিনি বলেন, ‘অফিস খোলা রেখে গণপরিবহন চলাচল বন্ধ রাখার মতো অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের ফলে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়েছে। গাড়ি চলছে না। তাই বাধ্য হয়েই রিকশায় যেতে হচ্ছে। কষ্ট যত আমাদের মতো কর্মজীবী মানুষদের।’

রিকশার চাহিদা বেশি থাকায় রিকশাচালকরাও সুযোগে ভাড়া বেশি নিচ্ছেন বলে অভিযোগ যাত্রীদের। অনিল দাস নামে একজন বললেন, ‘আগে নিউমার্কেট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যেতে ৪০ টাকা রিকশা ভাড়া লাগত। এখন রিকশাচালকরা ১২০-১৫০ টাকা চাইছেন। এত বেশি ভাড়া দিয়ে কীভাবে যাব?’

গত রোববার নিষেধাজ্ঞার প্রতিবাদে নিউমার্কেটের ব্যবসায়ীদের বের করা বিক্ষোভ থেকে গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। দুই মামলায় আসামি করা হয়েছে অজ্ঞাত ৩৫০০ জনকে।

সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ১১ এপ্রিল রাত ১২টা পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে দোকানপাট, শপিংমল। কেবল ওষুধ ও খাবারের দোকান খোলা থাকবে। রোববার (৪ এপ্রিল) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

নিউজ হান্ট/ম