তিন দলে করোনার হানা, তবু থামবে না আইপিএল

13

করোনাভাইরাসের থাবায় বিপর্যস্ত ভারত। দ্বিতীয় ঢেউয়ের ধাক্কা লেগেছে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ক্রিকেটেও। চলতি টুর্নামেন্টে ৩ মে প্রথমবারের মতো কোনো ক্রিকেটার করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ।  ৯ এপ্রিল শুরু হওয়ার প্রায় মাসখানেক পর এই ঘটে।

সোমবার খবর এসেছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত কলকাতা নাইট রাইডার্সের দুই খেলোয়াড় এবং চেন্নাই সুপার কিংসের তিন সদস্য। পাশাপাশি নিজ নিজ কক্ষে আইসোলেশনে থাকতে বলা হয়েছে দিল্লি ক্যাপিট্যালসের খেলোয়াড়দের। আবার অরুণ জেটলি স্টেডিয়ামের মাঠকর্মীদেরও ধরা পড়েছে করোনা।

মঙ্গলবার মাঠে নামার কথা মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। কিন্তু করোনার কারণে সোমবার অনুশীলন করেনি মুম্বাই ইন্ডিয়ানস ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদের খেলোয়াড়রা। এমতাবস্থায় ক্রিকেটার ও সকলের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে বিশেষজ্ঞ মহল থেকে বলা হচ্ছে, আইপিএল স্থগিত করে দেয়ার কথা।

তবে আপাতত সে চিন্তা নেই আইপিএল আয়োজকদের। তারা বরং ঝুঁকি কমানোর জন্য এক শহরেই আইপিএলের বাকিসব ম্যাচ আয়োজনের কথা ভাবছেন। সবকিছু পরিকল্পনা মোতাবেক এগুলে, আগামী রোববার থেকে আইপিএলের একমাত্র আয়োজক শহর থাকবে মুম্বাই। আবার ৩০ মে ফাইনাল হওয়ার কথা থাকলেও তা হতে পারে জুনের শুরুতে।

মুম্বাইয়ে খেলা হতে পারে তিনটি স্টেডিয়ামে। ওয়াংখেড়, ব্র্যাবোন ও ডিওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামে বাকিসব ম্যাচ আয়োজনের চিন্তা করা হচ্ছে। এই মহামারীর মধ্যে দলগুলোকে যাতে ভ্রমণের ধকল না সামলাতে হয় তাই এক শহরে হতে যাচ্ছে আইপিএলের বাকি ম্যাচগুলো।

আটটি দলের জন্য দ্রুততম সময়ের মধ্যে একই শহরে হোটেল প্রস্তুত করা; সুরক্ষাবলয়, গ্রিন জোন তৈরি করা কষ্টসাধ্য। প্রস্তুত করতে হবে স্টেডিয়ামগুলোকে। সময় দিতে হবে ব্রডকাস্টারদেরও। তাই এখন চলছে জোরেশোরে প্রস্তুতির কাজ।

প্রথম পর্বে মুম্বাই-চেন্নাইয়ের পর এখন আইপিএল হচ্ছে আহমেদাবাদ-দিল্লিতে। এরপর কলকাতা-বেঙ্গালুরুতে হওয়ার কথা ছিল। তারপর আবার প্লে অফ-ফাইনাল খেলা আহমেদাবাদে। কিন্তু এই মুহূর্তে দলগুলো কলকাতা-বেঙ্গালুরু যেতে অসম্মতি দিয়েছে। মুম্বাইতে করোনার অবস্থা ভালো না হলেও সবকিছু বিবেচনায় এখানেই আয়োজনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই।

নিউজ হান্ট/ইস

পূর্ববর্তী নিবন্ধআজও ৮ বিভাগে ঝড়বৃষ্টি হতে পারে
পরবর্তী নিবন্ধখালেদা জিয়ার বিদেশ যাওয়া হবে তো?