দলত্যাগীদের জন্য মমতার দুয়ার খোলা

18

বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থিতা লাভের আশায় তৃণমূল কংগ্রেসের যেসব সদস্য বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তাদেরকে ফের দলে ফিরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়। সোমবার তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ফিরতে চাইলে সবাইকেই স্বাগত জানানো হবে।

তবে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, যারা তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, তারা দলে ‘অত্যাচারিত’ ও ‘অপমানিত’ হয়েই দলবদলের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এ কারণে তাদের তৃণমূলে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা কম।

সোমবার কালীঘাটে মমতা বন্দোপাধ্যায়ের বাসভবনে সাংবাদিকরা তৃণমূল সভানেত্রীকে প্রশ্ন করেন, দলত্যাগীরা আবার দলে ফিরে আসতে চাইলে তাদের গ্রহণ করা হবে কি না। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আসুক না। কে বারণ করেছে! ফিরে এলে স্বাগত।’

বিধানসভা ভোটের আগে দলে দলে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার হিড়িক পড়েছিল তৃণমূল বিধায়ক ও দলের বিভিন্ন স্তরের নেতা-কর্মীদের। কিন্তু ভোটের লড়াইয়ে তাদের অধিকাংশকেই খালি হাতে ফিরতে হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী, নিশীথ প্রামাণিকসহ গুটিকয় কেন্দ্রীয় ও মাঝারি সারির নেতা বাদে দলবদলকারী কোনো বিধায়ক বা নেতা জয়ী হতে পারেননি।

রোববার ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে, তৃণমূলের ধারেকাছেও নেই বিজেপি। যদিও ভোটের ফলাফল প্রকাশ হয়েছে মাত্র ২৪ ঘণ্টা আগে, কিন্তু এর মধ্যেই তৃণমূলের দলত্যাগীদের ফের দলে ফেরার জল্পণা শুরু হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতির অঙ্গণে।

পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদানকারীদের কেউ এখনও প্রকাশ্যে জোড়াফুলে ফিরে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেননি। তবে ভোটের যে ফলাফল এসেছে, তাতে সেই সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়েও দেওয়া যাচ্ছে না।

তবে বিজেপির বিশ্বাস, এমন ঘটনা ঘটবে না। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষ এ সম্পর্কে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘তৃণমূল ছেড়ে যাঁরা এসেছিলেন, তাঁরা অত্যাচারিত এবং অপমানিত হয়ে এসেছিলেন। মনে হয় না তাঁদের কেউ ফিরে যাবেন।’

নিউজ হান্ট/ম

পূর্ববর্তী নিবন্ধজুনে ঘর পাচ্ছে আরও ৫৩ হাজার গৃহহীন পরিবার
পরবর্তী নিবন্ধবিটকয়েনের ব্যবসা করে ফ্ল্যাট, প্লট, সুপার শপের মালিক