দুদিনেই রোহিঙ্গাদের নতুন বসতঘর

11

কক্সবাজারের বালুখালীর রোহিঙ্গা আশ্রয় শিবিরে অগ্নিকাণ্ডের ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে নতুন করে বসতঘর তৈরি করছেন রোহিঙ্গারা। অগ্নিকাণ্ডের মাত্র দুদিনের মধ্যেই তারা এসব বসতঘর তৈরি করে ফেলেছেন।

সেখানে কর্মরত দেশি-বিদেশি এনজিও ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা পরিবারগুলোকে নতুন ঘর তৈরি করতে বাঁশ, দড়ি, ত্রিপল, পলিথিন, টিনসহ প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করছে।

অতিরিক্ত শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার সামসুদ্দৌজা জানান, নতুন করে ঘর তৈরির কাজ শিবিরের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ক্যাম্প ইনচার্জ) তদারকি করছেন।

এছাড়া ইউএনএইচসিআর ও আইওএম জরুরিভাবে তাঁবু স্থাপন করছে সীমিত পরিসরে। এই তাঁবুগুলোতে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা পরিবারগুলো অবস্থান নিয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত রোহিঙ্গা শিবিরগুলো পরিদর্শনে গেছেন।

জাতিসংঘের পক্ষ থেকে এই অগ্নিকান্ডে মৃতের সংখ্যা ১৫ বলা হলেও আরআরআরসি কার্যালয় এখন পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্যুর বিষয় নিশ্চিত করেছে।

অগ্নিকান্ডের ঘটনার দিন গত সোমবার কয়েকজন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। তবে এ বিষয়ে এপিবিএনের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

কয়েকজন রোহিঙ্গা মাঝি আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এ বিষয়ে পুলিশের চট্টগ্রাম রেঞ্জের উপমহাপরিদর্শক মো. আনোয়ার হোসেন গতকাল মঙ্গলবার গণমাধ্যমকে বলেন, ‘অগ্নিকান্ডের বিষয়ে কিছু তথ্য জানার জন্য কয়েকজন রোহিঙ্গাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে।’

নিউজ হান্ট/আরকে