নতুন দরিদ্রের হিসাব মানেন না অর্থমন্ত্রী

11

বিভিন্ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান দেশের নতুন দরিদ্রের যে হিসাব দিয়েছে তা মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ বুধবার (৯ জুন) সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রীসভা কমিটির বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নতুন দরিদ্রের এই হিসাব আমি স্বীকার করি না। যাদের কাছে তালিকা আছে দুই কোটি বা এক কোটি বা ১০ জন, এই তথ্য তারা কোথায় পেয়েছেন তা জানা দরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই কাজটি করার জন্য আমাদের ইন হাউজ প্রতিষ্ঠান আছে। যেমন- বিবিএস, বিআইডিএস। এই সব প্রতিষ্ঠান থেকে যতদিন তথ্য না পাবো, ততদিন অন্য প্রতিষ্ঠানের তথ্য গ্রহণ করতে পারি না।’

বৈঠকে ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কোনো ‘দুর্বলতা’ নেই বলে মন্তব্য করেন অর্থমন্ত্রী।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকরা তার কাছে জানতে চান এবারের বাজেটে দুর্বলতা কী ছিল। এ সময় অর্থমন্ত্রী বলেন, বাজেটে কোনো দুর্বলতা নেই। আমি কোনো পার্টিকুলার সেগমেন্ট উল্লেখ করতে চাই না। বাজেটটি যখন বাস্তবায়ন শুরু হবে তখন আমরা দেখব কারা বেনিফিশিয়ারি। উপকারভোগী কারা আমরা সেটি জানতে পারব। যাদেরকে নিয়ে আপনাদের প্রশ্ন তাদেরকে কাভার করার জন্যই আমরা এবারের বাজেট সাজিয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আমরা বিশ্বাস করি এবং প্রধানমন্ত্রীও আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন। সেটি হচ্ছে নিম্ন আয়ের মানুষদের যদি আমরা আইডেন্টিফাই করতে পারি এবং অর্থনীতির মূল ধারায় নিয়ে আসতে পারি, তাহলে আগামীতে আমাদের অর্থনীতি আরও সমৃদ্ধ হবে। এই নীতিতে আমরা বিশ্বাস করি এবং সেভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

জিডিপি প্রবৃদ্ধি নিয়ে বিশ্বব্যাংক নয়, সরকার যে প্রাক্কলন করেছে তার চেয়ে বেশি অর্জিত হবে বলেও জানান তিনি।

বিশ্বব্যাংক গতকাল মঙ্গলবার (৮ জুন) তাদের এক বৈশ্বিক প্রতিবেদনে আগামী অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি পাঁচ দশমিক এক শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে।

এ বছর সরকারের লক্ষ্যমাত্রা সাত দশমিক দুই শতাংশ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থনীতির সাম্প্রতিক যে গতিধারা, তাতে এই অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাউথ এশিয়া ও সাউথ-ইষ্ট এশিয়ার সবদেশের উপরে আমরা থাকবো।’

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস কোনো দিন মিলেছে কি না প্রশ্ন রেখে তিনি আরও বলেন, ‘আমরা ২০২১-২২ অর্থবছরে যে প্রোজেকশন করেছি তা অর্জন করতে পারবো বলে বিশ্বাস রাখি।’

অর্থমন্ত্রী আরও বলেন, ‘অর্থনীতির যে সাম্প্রতিক গতিধারা তাতে এই অর্থবছরে যে লক্ষ্যমাত্রা ছয় দশমিক এক শতাংশ, তারচেয়ে বেশি অর্জিত হবে।’

বিশ্বব্যাংকের পূর্বাভাস, চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে তিন দশমিক ছয় শতাংশ

নিউজ হান্ট/আরকে

পূর্ববর্তী নিবন্ধবিশ্বসেরা ৮০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় বাংলাদেশের একটিও নেই
পরবর্তী নিবন্ধআওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম পাননি ডিপজল-এখলাস মোল্লা