নিউজিল্যান্ডের মাটিতে ধবলধোলাই বাংলাদেশ

16

ভালো শুরুর পর বোলিংয়ে থাকল না ধারাবাহিকতা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ভোগালো ফিল্ডিং। বড় রান তাড়ায় প্রায় সবাই ছুড়ে এলেন উইকেট। তিন বিভাগেই ব্যর্থ বাংলাদেশ হারল বড় ব্যবধানে।

তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে ১৬৪ রানে হারিয়ে সফরকারীদের হোয়াইটওয়াশ করেছে নিউজিল্যান্ড। বাংলাদেশের বিপক্ষে এর চেয়ে বড় জয় আছে তাদের কেবল একটি। ২০০২ সালে কলম্বোয় ২৪৫ রানের লক্ষ্য দিয়ে জিতেছিল ১৬৭ রানে।

এদিন ওয়েলিংটনের বেসিন রিজার্ভ মাঠে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশের সামনে ৩১৯ রানের বিশাল লক্ষ্য ছুড়ে দেয় স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড। পাহাড়সম টার্গেট টপকাতে নেমে শুরুটা সুখকর হয়নি সফরকারীদের। অধিয়ানক তামিমকে (১) দিয়ে শুরু, এরপর একে একে সৌম্য সরকার (১) ও লিটন দাসের (২১) উইকেট তুলে নেন কিউই পেসার ম্যাট হেনরি।

২৬ রানে তিন উইকেট হারানো বাংলাদেশ দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন মোহাম্মদ মিঠুন ও মুশফিকুর রহিম। রক্ষণাত্মক কৌশলে হাঁটেন তারা। ৬৬ বলে ২২ রানের জুটি গড়েন দুজন। তাদের পার্টনারশিপ বড় হতে দেননি জেমিসন। মিঠুনকে তুলে নেন তিনি। ৩৯ বলে ৬ রান করে মিঠুন আউট হলে জোড়া আঘাত হানেন নিশাম। ইনিংসের ২৬তম ওভারে বল করতে এসে মুশফিক ও মিরাজের উইকেট তুলে নেন তিনি। মুশফিক ২১ রান করলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি মিরাজ।

সতীর্থদের ব্যর্থতার দিনে হতাশ করেছেন শেখ মেহেদী হাসানও। নিশামের তৃতীয় শিকারে পরিণত হয়েছেন তিন রান করে। মুশফিক, মিরাজ, মেহেদীর আউট ক্রিজে দাঁড়িয়ে দেখেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি কেউই। শেষদিকে সে কাজটি করেন তাসকিন। তবে ফায়দা হয়নি তাতে। অনেক আগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে বাংলাদেশ। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে নিজের অর্ধশতক তুলে নেন মাহমুদউল্লাহ। শেষপর্যন্ত ৭৬ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি।

মাহমুদউল্লাহ অপরাজিত থাকলেও দলের বড় হার এড়াতে পারেননি। মাত্র ১৫৪ রানে গুটিয়ে যায় সফরকারীরা। এতে ১৬৪ রানের জয় তুলে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশের তিক্ত স্বাদ দেয় নিউজিল্যান্ড। কিউইদের হয়ে ২৭ রানে ৫ উইকেট তুলে নেন নিশাম।

সংক্ষিপ্ত স্কোর

নিউজিল্যান্ড: ৩১৮/৬, ৫০ ওভার (কনওয়ে ১২৬, মিচেল ১০০*, গাপটিল ২৬; রুবেল ৩/৭০, সৌম্য ১/৩৭)
বাংলাদেশ: ১৫৪/১০, ৪২.৪ ওভার (রিয়াদ ৭৬, লিটন ২১, মুশফিক ২১; নিশাম ৫/২৭, হেনরি ৪/২৭)

ফল: নিউজিল্যান্ড ১৬৪ রানে জয়ী।

নিউজ হান্ট/ম