নিরাপদে আছি, তৌহিদী জনতার প্রতি শুকরিয়া: মামুনুল

26

নিরাপদে আছেন ও গুজবে বিভ্রান্ত না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের নেতা মাওলানা মামুনুল হক।  নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের একটি রিসোর্টে স্ত্রীসহ অবরুদ্ধ হয়ে পড়া হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক পুলিশ ও হেফাজতের নেতাকর্মীদের সহায়তায় উদ্ধার হয়েছেন। এরপরই এ বিষয়ে ফেসবুকে পোস্ট করেছেন তিনি।

ফেসবুকের নিজের ভেরিফাইড পেজে পোস্টে মামুনুল হক বলেন, আমি নিরাপদে আছি, পুলিশ প্রশাসনের সহযোগিতায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক! কেউ কোনো গুজবে বিভ্রান্ত হবেন না!

এরপরই আরেক পোস্টে তিনি বলেন, সোনারগাঁওয়ের তৌহিদী জনতার প্রতি শুকরিয়া ! তবে কোনো ধরণের উত্তেজনাপূর্ণ আচরণ করা যাবে না !! ধৈর্য ও সহনশীলতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে ।

শনিবার বিকেলে মামুনুল হক সোনারগাঁওয়ের রয়েল রিসোর্টে আসেন। তার সঙ্গে একজন নারী ছিলেন। ওই সময়ে বিষয়টি দেখতে পেয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু, ছাত্রলীগ নেতা সোহাগ রনিসহ অনুগামীরা উপস্থিত হয়ে রিসোর্টের ৫ম তালার ৫০১ নম্বর কক্ষে তাকে অবরুদ্ধ করে ফেলেন। তারা মামুনুল হকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন। খবর পেয়ে জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা গিয়ে সেখানে হাজির হন।

মামুনুল হকের দাবি, সঙ্গে থাকা নারীর নাম আমিনা তৈয়্যব, তিনি তার দ্বিতীয় স্ত্রী। দুই বছর আগে তাকে বিয়ে করেছেন তিনি। স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে রিসোর্টে ঘুরতে গিয়েছিলেন তিনি।

মামুনুল হক বলেন, মাস্তান প্রকৃতির লোকেরা এসে আমাকে আমার ওয়াইফসহ নাজেহাল করেছে। আমাকে আক্রমণ করেছে। আমার বক্তব্য পরিষ্কার, আমরা এখানে একটু রিফ্রেশমেন্টের জন্য এসেছিলাম। এখানে অনেক উচ্ছৃঙ্খল লোক এসেছে। আপনারা দেখেছেন। আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।

নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম জানান, মামুনুল হক নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানাধীন রয়েল রিসোর্টের একটি কক্ষে এক নারীসহ অবস্থান করছেন—এমন খবরে স্থানীয় লোকজন রিসোর্ট ঘেরাও করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ সেখানে যায়। মামুনুল হক পুলিশকে জানিয়েছেন সঙ্গে থাকা নারী তার দ্বিতীয় স্ত্রী। পরে পুলিশ তাকে নিরাপত্তা দিয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করেছে।

নিউজ হান্ট/কেএইচ