পরীমণির মামলায় নাসির-অমি ৭ দিনের রিমান্ডে

63

ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে চিত্রনায়িকা পরীমণির করা মামলায় গ্রেপ্তার নাসির ইউ মাহমুদ ও তুহিন সিদ্দিকী অমিকে মাদকের মামলায় ৭ দিন করে রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (১৫ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই আদেশ দেন। এছাড়া তিন নারীকে ৩ দিনের করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ আসামিদের আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডে নেওয়ার আবেদন করে পুলিশ। উভয় পক্ষের শুনানি নিয়ে আদালত এই আদেশ দেন।

এর আগে পুলিশ নাসির ইউ মাহমুদসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রাজধানীর বিমানবন্দর থানায় মামলা করে। এই মামলায় লিপি আক্তার (১৮), সুমি আক্তার (১৯) ও নাজমা আমিন স্নিগ্ধাকে (২৪) গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গতকাল সোমবার (১৪ জুন) বিকেলে তাদের রাজধানীর উত্তরা এলাকায় ১ হাজার ইয়াবা বড়ি, বিদেশি মদসহ তাদের গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আসামিদের গ্রেপ্তারে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (উত্তর) যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশিদ ও ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপকমিশনার মশিউর রহমান।

চিত্রনায়িকা পরীমণি ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ব্যবসায়ী নাসির ইউ মাহমুদ, অমিসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে গতকাল সোমবার (১৪ জুন) সাভার থানায় মামলা করেন।

পরীমনি রোববার (১৩ জুন) রাতে বনানীর নিজ বাসায় সাংবাদিকদের জানান, গত ৮ জুন রাতে পারিবারিক বন্ধু অমি ও ব্যক্তিগত রূপসজ্জাশিল্পী জিমির সঙ্গে বাইরে বের হন। বন্ধুটি তাঁদের নিয়ে যান আশুলিয়ার একটি ক্লাবে। সেখানে মদ্যপানরত কয়েকজনের সঙ্গে পরীমনির পরিচয় করিয়ে দেন অমি। ওই ব্যক্তিদেরই একজন হঠাৎ জোর করে তাঁর মুখে পানীয়র গ্লাস চেপে ধরেন এবং ধর্ষণের চেষ্টা করেন। এ সময় মারধর করা হয় পরীমণির সঙ্গে থাকা জিমিকেও।

গত রোববার সন্ধ্যার সময় ফেসবুক পোস্টে পরীমণি অভিযোগ করেন, তাকে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা করা হয়েছে। ফেসবুক পোস্টে এ অভিযোগ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে বিচার দাবি করেন পরীমনি।

নিউজ হান্ট/আরকে

পূর্ববর্তী নিবন্ধজাতিসংঘের এসডিজি বাস্তবায়ন: এগিয়ে থাকার তালিকায় সবার শীর্ষে বাংলাদেশ
পরবর্তী নিবন্ধঅসৎ ব্যবসায়ীদের আল্লাহ বিচার করবে: সাধন চন্দ্র মজুমদার