পাল্টে গেল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যু

11

তৃতীয়বারের মতো পাল্টে গেল চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের ভেন্যু। এবারের ফাইনালটা প্রথমে হওয়ার কথা ছিল রাশিয়ার সেন্ট পিটার্সবার্গে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারণে ভেন্যু পাল্টাতে বাধ্য হয়েছিল উয়েফা। রাশিয়া থেকেভেন্যু সরিয়ে নেওয়া য়েছিল তুরস্কের ইস্তাম্বুলে। সেখানেও হচ্ছে না।

করোনা মহামারির কারণে গত সপ্তাহে তুরস্ককে ভ্রমণ তালিকায় ‘লাল তালিকা’ভুক্ত করে ইংল্যান্ড। অর্থাৎ কোনো ইংলিশ সমর্থক তুরস্ক গিয়ে ২৯ মে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালে দুই ইংলিশ ক্লাব ম্যানচেস্টার সিটি ও চেলসির লড়াই দেখতে পারবেন না।

এ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় আবারও চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু পাল্টাল ইউরোপিয়ান ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা উয়েফা। ইস্তাম্বুল থেকে সরিয়ে ইউরোপসেরা ক্লাব হওয়ার শেষ লড়াইয়ের ভেন্যু ঠিক করা হয়েছে পর্তুগালের পোর্তায়।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ মে) এক বিবৃতিতে পোর্তোর এস্তাদিও দ্রাগাও স্টেডিয়ামকে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়ার খবর নিশ্চিত করে উয়েফা। ফাইনালে ওঠা দুই ক্লাব থেকে ছয় হাজার সমর্থকের পর্তুগালে গিয়ে খেলা দেখার অনুমতি দিয়েছে সংস্থাটি।

পর্তুগালে তৃতীয় বৃহত্তম স্টেডিয়াম এস্তাদিও দ্রাগাওয়ের আসনসংখ্যা প্রায় ৫০ হাজার। অন্তত ২০ হাজার ফুটবলপ্রেমী যেন ম্যাচটা স্টেডিয়ামে বসে দেখতে পারেন, সে জন্য পর্তুগাল সরকারের সঙ্গে এখন কথা চালাচালি করছে উয়েফা। এর মধ্যে ফাইনালে ওঠা দুই ক্লাবের ৬ হাজার করে সমর্থক আছেন, যাদের গ্যালারিতে বসে খেলা দেখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

করোনার মধ্যে ভ্রমণে নিরাপদ দেশগুলোর তালিকায় পর্তুগালকে রেখেছে ইংল্যান্ড। অর্থাৎ ফাইনাল দেখে ইংল্যান্ডে ফিরে আর কোয়ারেন্টিন করতে হবে না ইংলিশ ফুটবলপ্রেমীদের। কিন্তু তুরস্ক লাল (বিপজ্জনক) তালিকাভুক্ত থাকায় কেউ তুরস্কে গেলে সেখান থেকে ইংল্যান্ডে ফেরার পর ১০ দিনের বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে।

তার মানে ইস্তাম্বুলে ফাইনাল হলে ম্যাচটা খেলে ফেরার পর বাধ্যতামূলক কোয়ারেন্টিনে থাকতে হতো দুই দলের খেলোয়াড়-স্টাফদের। পোর্তোকে ফাইনালের ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়ায় চেলসি ও ম্যানচেস্টার সিটিকে এখন আর এই ঝামেলা পোহাতে হবে না।

নিউজ হান্ট/আরকে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ‘বেঁচে থাকলে অনেক ঈদ উদযাপন করতে পারবেন’
পরবর্তী নিবন্ধলাল সবুজ সংঘের ‘ঈদ উপহার’ বিতরণ