প্রতিপক্ষের ভুলে জয় পেল পর্তুগাল

12
জয়ে দিয়েই বিশ্বকাপ বাছাইয়ে  শুরু করেছে পর্তুগাল। শক্তির বিচারে অনেক পিছিয়ে থাকা আজারবাইজানের বিপক্ষে ইউরো চ্যাম্পিয়নদের জিততে হলো প্রতিপক্ষের আত্মঘাতী গোলে। তবে পারফরম্যান্স বিচার করলে বেশ বাজেই খেলেছে ফার্নান্দো সান্তোসের দল।
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের এই ম্যাচটি পর্তুগালের ঘরের মাঠে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা সরিয়ে নেওয়া হয় ইতালিতে। কোভিড-১৯ এর বিধিনিষেধের কারণে ম্যাচটি পর্তুগাল থেকে সরিয়ে ইতালির তুরিনে রোনালদোর ক্লাবের মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।
 সেখানে বুধবার রাতে ‘এ’ গ্রুপের ম্যাচে ১-০ গোলে জিতেছে ফের্নান্দো সান্তোসের দল।
ফিফার র‍্যাংকিংয়ে পর্তুগালের অবস্থান পাঁচে আর আজারাবাইজানের অবস্থান পর্তুগিজদের থেকে ১০৩ ধাপ পিছিতে ১০৮ নম্বরে। মাঠের খেলাতেও যার স্পষ্ট দর্শন মিলেছে। ম্যাচ জুড়ে আজারাবাইজানের ওপর ছড়ি ঘোরালেও জাল খুঁজে পায়নি পর্তুগাল। শেষ পর্যন্ত ম্যাচ জিতেছে ওই আত্মঘাতী গোলে।
ম্যাচের দশম মিনিটে এগিয়ে যাওয়ার প্রথম ভালো সুযোগ পায় পর্তুগাল। প্রথমে রুবেন নেভেসের জোরালো শট দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় কোনোমতে ফেরান আজারাবাইজান গোলরক্ষক। এরপর কয়েক মুহূর্ত পরে জাও কানসেলোর কোনাকুনি শট ঝাঁপিয়ে ফেরান মোহাম্মদালিয়েভ। খানিক পর রোনালদোর দারুণ ক্রস ভালো পজিশনে পেয়েও লক্ষ্যভ্রষ্ট শট নেন ডোমিঙ্গোস দুয়ার্তে। ৩৬তম মিনিটে মিডফিল্ডার নেভেসের ডি বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটও ঝাঁপিয়ে ফেরান মোহাম্মদালিয়েভ।
তবে রোনালদোদের আর আটকে রাখতে পারেনি, তবে এতে আজারাবাইজানকে দুর্ভাগা বলা যেতেই পারে। রুবেন নেভেসের ক্রস ঠেকাতে ঝাঁপিয়ে দুর্বল পাঞ্চ করেন গোলরক্ষক; কিন্তু বল পাশেই দাঁড়ানো মেদভেদেভের বুকে লেগে জালে জড়িয়ে পড়ে। এরপর ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও দুর্দান্ত আক্রমণ করতে থাকে পর্তুগাল। কিন্তু কিছুতেই বল জালে জড়াতে পারেনি।
গোটা ম্যাচে মোট ২৯টি শট আজারাবাইজানের গোলমুখে নেয় রোনালদোরা, গোলের সুযোগ তৈরি করে ২২টি। তবে এত আক্রমণ করেও দুর্বল ফিনিশিংয়ের জন্য শেষ পর্যন্ত আর গোলই পায়নি পর্তুগাল। আর ওই ১-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু করতে হয় পর্তুগালকে।
নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার সার্বিয়ার আতিথ্য নেবে পর্তুগাল। আর তৃতীয় ম্যাচটি লুক্সেমবার্গের বিপক্ষে খেলবে ৩১ মার্চ।
নিউজ হান্ট/ইস