বাংলাদেশ-ভুটান পিটিএ চুক্তি ভুটান সংসদে গৃহীত

9

ভুটানের জাতীয় সংসদ বাংলাদেশের সঙ্গে অগ্রাধিকার বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) গ্রহণ করেছে। গতকাল সোমবার (৭ জুন) সংসদে তোলা হলে এটি গৃহীত হয় বলে জানিয়েছে দেশটির ইংরেজি দৈনিক কুয়েনসেল।

গত বছরের ডিসেম্বরে স্বাক্ষরিত পিটিএর লক্ষ্য দুটি দেশের মধ্যে একটি অগ্রাধিকারমূলক ব্যবসায়ের ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, এবং বাণিজ্য বাধা হ্রাস বা নির্মূল করা।

সম্মেলনের দায়িত্বে থাকা সদস্য অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রী লোকনাথ শর্মা কুয়েনসেল পত্রিকাকে বলেছেন, ৪ জুন চুক্তিটি প্রবর্তন করা হয়েছিল এবং একই দিনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হয়েছিল।

শর্মা আরও বলেছেন, এখন দু’দেশের মধ্যে চুক্তির মাধ্যমে এটি দেশকে (নেপাল) দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রচার, প্রসার ও বৈচিত্র্যময় করতে সহায়তা করবে।

পত্রিকাটি বলছে, পিটিএর লক্ষ্য বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক গড়ে তোলা এবং দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা জোরদার করা।

চুক্তিটি নেপালের জাতীয় কাউন্সিলের কাছে আলোচনার জন্য পাঠানো হয়েছিল।

চুক্তিটি স্বাক্ষরের আওতায় বাংলাদেশ ভুটানের বাজারে শিশুদের পোশাক, পুরুষদের ট্রাউজার, জ্যাকেট, ব্লেজার, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, ঘড়ি, ফ্যান, আলু, গুঁড়ো দুধ, সিমেন্ট, ব্রাশ, পার্টিকেল বোড, কমলা, পেয়ারা ও আনারসের শরবতসহ মোট ১০০ পণ্যে শুল্কমুক্ত বাজার সুবিধা পাবে।

ভুটান বাংলাদেশে কমল, আপেল, আদা, ফলের শরবত, দুধ, কাঠের ফার্নিচারসহ মোট ৩৪ পণ্যে এ সুবিধা পাবে। পরবর্তীতে আলোচনার মাধ্যমে আরও পণ্য দুদেশের তালিকায় সংযুক্ত করা হবে।

এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় পিটিএ-এফটিএ স্বাক্ষরের যাত্রা শুরু হল।

বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে ২০০৮-০৯ অর্থবছরে মোট বাণিজ্য ছিল ১২.৭৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তখন বাংলাদেশ ০.৬১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রপ্তানি ও একই সময়ে আমদানি করে ১২.১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।

দুদেশের বাণিজ্য ২০১৮-১৯ অর্থবছরে ৫৭.৪৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত হয়। এ সময়ে বাংলাদেশ রপ্তানি করে ৭.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য, একই সময়ে ভুটান থেকে আমদানি হয় ৪৯.৯০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য।

নিউজ হান্ট/আরকে

পূর্ববর্তী নিবন্ধগোল্ডেন মনিরসহ তিনজনের ১৭০ ব্যাংক অ্যাকাউন্ট জব্দের নির্দেশ
পরবর্তী নিবন্ধজবিতে পরীক্ষার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ১৩ই জুন