বায়ার্নকে হারিয়ে সেমির পথে পিএসজি

12
গতবারের  চ্যাম্পিয়নস লিগের দুই ফাইনালিস্ট বায়ার্ন মিউনিখ এবং প্যারিস সেইন্ট জার্মেই এবারে মুখোমুখি শেষ আটেই। আর এমন হাই ভোল্টেজ ম্যাচে জ্বলে ওঠে পিএসজির দুই তারকা নেইমার জুনিয়র এবং কিলিয়ান এমবাপে। জার্মান দলটিকে তাদের মাঠেই হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমি-ফাইনালের পথে এগিয়ে গেল পিএসজি।
আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় বুধবার রাতে রোমাঞ্চ ছড়ানো কোয়ার্টার-ফাইনালের প্রথম লেগে ৩-২ গোলে জিতেছে পিএসজি। এমন জয়ে জোড়া গোল করেছেন ফরাসি তারকা কিলিয়ান এমবাপ্পে। অপর গোলটি করেছেন মারকুইনহোস। বায়ার্নের হয়ে গোল করেছেন এরিক ম্যাক্সিম চৌপো-মোটিং ও থমাস মুলার।
খেলা শুরুর দুই মিনিটের মাথায় লিড নিতে পারত বায়ার্ন। তবে চুপো মোটিংয়ের হেড ক্রসবারে লেগে প্রতিহয় হয়। আর প্রতি আক্রমণে পরের মিনিটেই লিড নেয় পিএসজি। ডি বক্সের মুখে ডিফেন্ডারদের ঘিরে থাকা অবস্থায় ডান দিকে বল বাড়ান নেইমার। জোরালো শটে ম্যানুয়েল নয়ারকে পরাস্ত করেন এমবাপে।
এরপর ম্যাচের ১২তম মিনিটে বায়ার্নের জালে আরও একবার বল জড়ায় পিএসজি। জুলিয়ান ড্রাক্সলার এমবাপের কাছ থেকে পাওয়া বল ঠিকই জালে জড়ান কিন্তু বল ধরার সময় এমবাপের অফসাইডে থাকায় বাতিল হয় গোলটি।
ব্যবধান দ্বিগুণ করা গোলেও দারুণ অবদান আছে নেইমারের। ২৮তম মিনিটে তার উঁচু করে বাড়ানো বল বাঁ পায়ে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে পেনাল্টি স্পটের কাছ থেকে ডান পায়ের শটে ঠিকানা খুঁজে নেন ব্রাজিলিয়ান ডিফেন্ডার মার্কিনিয়োস।
৩৭তম মিনিটে সাবেক দলের জালে বল পাঠান চুপো মোটিং। ফরাসি ডিফেন্ডার পাভার্দের ডান দিক থেকে বাড়ানো ক্রসে লাফিয়ে জোরালো হেডে গোলরক্ষককে পরাস্ত করেন ক্যামেরুনের এই ফরোয়ার্ড। গত অক্টোবরে পিএসজি থেকে বায়ার্নে যোগ দেন তিনি।
তবে বেশিক্ষণ ব্যবধান ধরে রাখতে পারেনি পিএসজি। ৬০তম মিনিটে ডান দিক থেকে জশুয়া কিমিচের ফ্রি কিকে চোখের পলকে এগিয়ে গিয়ে লাফিয়ে হেডে স্কোরলাইন ২-২ করেন মুলার।
৬৮তম মিনিটে আবারও দলকে এগিয়ে নেন এমবাপে। আনহেল দি মারিয়ার পাস ডি-বক্সে পেয়ে জায়গা বানিয়ে কাছের পোস্ট দিয়ে বল জালে পাঠান ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী তারকা।
শেষ ১০ মিনিটে প্রচণ্ড চাপ বাড়ায় বায়ার্ন। দুই মিনিটের ব্যবধানে দারুণ দুটি সুযোগও পায় তারা; কিন্তু সমতায় ফেরা আর হয়নি তাদের। ৮৬তম মিনিটে দাভিদ আলাবার কোনাকুনি শট পোস্ট ঘেঁষে বেরিয়ে গেলে হারের হতাশায় মাঠ ছাড়ে দলটি।
নিউজ হান্ট/ইস