বেশিরভাগ ক্ষেত্রে রিপোর্টকে গবেষণা বলে চালিয়ে দেয় টিআইবি: তথ্যমন্ত্রী

5

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, টিআইবির মতো সংগঠন থাকার দরকার আছে। এ ধরনের সিভিল সোসাইটি সংগঠনগুলো থাকার দরকার আছে। তারা স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করবে এটিই স্বাভাবিক, আমরাও চাই সেটি।।

তিনি বলেন, টিআইবি বিভিন্ন সময় যে গবেষণার কথা বলে, বেশিরভাগ ক্ষেত্রে গবেষণা না করে একটি রিপোর্ট তৈরি করে, সেটিকে গবেষণা বলে চালিয়ে দেয়, এটি সমীচীন নয়।

আজ বুধবার (৮ জুন) সচিবালয়ে তথ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।

যেসব দেশ থেকে টিআইবি ফান্ড পায় সেসব নিয়ে তাদের কখনো কিছু বলতে দেখিনি। বাংলাদেশ ও দরিদ্র দেশগুলো নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করে, বলেন ড. হাছান মাহমুদ।

মন্ত্রী বলেন, দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহের একটা নিয়ম আছে। দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য চুরি এক জিনিস নয়। আমরা সংগ্রহ ও চুরির মধ্যে প্রভেদটা ভুলে গিয়ে এটিকে অনেকে গুলিয়ে ফেলেছি। সরকারি বা যেকোনো অফিসে দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহ করার জন্য যেকোনো নাগরিক আবেদন করতে পারেন। সেটি না পেলে তথ্য কমিশন আছে। তখন তথ্য কমিশনের মাধ্যমে আবেদন করা যায়। তথ্য কমিশন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে তথ্য সংগ্রহের জন্য বলে।

তিনি বলেন, আমি মন্ত্রীর পদে থেকেও কোনো অফিসে গিয়ে বিনাঅনুমতিতে কোনো গোপনীয় তথ্য নিয়ে নিলে আমি অপরাধী। সেক্ষেত্রে সেই অফিসের কর্তৃপক্ষ আমার বিরুদ্ধে যেকোনো আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। সে তথ্য কোনো রাষ্ট্রীয় গোপন নথি হলে সেই অপরাধটা আরও বড়। প্রত্যেক মন্ত্রীকে মন্ত্রী হিসেবে শপথের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় গোপনীয়তা রক্ষার শপথ নিতে হয়। আমি টিআইবির বক্তব্যের সঙ্গে একমত নই। টিআইবি তথ্য সংগ্রহ ও তথ্য চুরি দুটি বিষয়কে গুলিয়ে ফেলেছে।

করোনার টিকা নিয়ে একটি সূত্রের ওপর বাংলাদেশ নির্ভর করেনি দাবি করে তিনি বলেন, যেখান থেকে টিকা পাওয়ার সম্ভাবনা ছিল সবার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। কিন্তু যখন টিকা বাজারে এলো সব দেশ নিজেদের প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেছে। সিরাম ইনস্টিটিউট প্রথমে এগিয়ে আসে। অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ রাখার কারণে চীন থেকে টিকা এসেছে, অন্য দেশ থেকে টিকা আসছে।

নিউজ হান্ট/এনএইচ

পূর্ববর্তী নিবন্ধমেধা ও প্রজ্ঞার লড়াইয়ের মাধ্যমে ক্ষমতা ছিনিয়ে আনতে হবে: ফখরুল
পরবর্তী নিবন্ধতিন ঘণ্টার মধ্যে নিরসন হবে ঢাকার জলাবদ্ধতা: তাপস