‘ব্যালেস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া’

13

উত্তর কোরিয়া দুইটি ব্যালেস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করেছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। বাইডেনের আমলে প্রথম এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল উত্তর কোরিয়া।

জাপান সাগরে দুইটি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। দক্ষিণ কোরিয়ার সেনাবাহিনী এই খবর দিয়েছে। তবে তারা বিস্তারিত কিছু জানায়নি। কিন্তু জাপানের প্রধানমন্ত্রী সুগা বলেছেন, সি অফ জাপান যা ইস্ট কোরিয়া সি বলেও পরিচিত, সেখানে দুইটি ব্যালেস্টিক মিসাইল পরীক্ষা করেছে উত্তর কোরিয়া। জাতিসংঘের প্রস্তাব অনুসারে যা তারা করতে পারে না।

সুগা বলেছেন, এক বছর পর এই ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করল উত্তর কোরিয়া। এর ফলে জাপান এবং ওই অঞ্চলের শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। জাপানের প্রধানমন্ত্রী জানিয়েছেন, আগামী মাসে তার সফরের সময় তিনি বাইডেনের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবেন।

উত্তর কোরিয়া এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করার পরই দক্ষিণ কোরিয়া ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের বৈঠক ডেকেছে। সেখানে বিষয়টি নিয়ে বিস্তারে আলোচনা হবে।

এর সপ্তাহখানেক আগেই উত্তর কোরিয়া ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করেছিল। তবে তা ব্যালেস্টিক মিসাইল নয়, ছোট পাল্লার নন-ব্যালেস্টিক মিসাইল। তখন অবশ্য যুক্তরাষ্ট্র কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। কারণ, নন-ব্যালেস্টিক মিসাইল পরীক্ষার ওপর জাতিসংঘের কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। বাইডেন তখন বলেছিলেন, এটা স্বাভাবিক ঘটনা।

তবে, ওই নন-ব্যালেস্টিক মিসাইলের পরীক্ষার সময়টা ছিল উল্লেখযোগ্য। তখন যুক্তরাষ্ট্র এবং দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ নৌ মহড়া চলছিল। মার্কিন সেক্রেটারি অফ স্টেট অ্যান্টনি ব্লিংকেন এবং ডিফেন্স সেক্রেটারি লয়েড অস্টিনও সিউলে ছিলেন। ব্লিংকেন বারবার চীনকে অনুরোধ করছিলেন, উত্তর কোরিয়া যেনো পরমাণু অস্ত্র না বানায় তাদেরকে তা নিশ্চিত করতে হবে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এখনই উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে পরমাণু বিষয়ে আলোচনা শুরু করতে চায়। এ ব্যাপারে পিয়ংইয়ং বলছে, যুক্তরাষ্ট্র যদি তাদের প্রতি শত্রুতার মনোভাব না ছাড়ে, তাহলে তারা এ নিয়ে আলোচনা করতে চায় না। হোয়াইট হাউজ জানিয়েছে, বিষয়টি নিয়ে আগে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে আলোচনা করা হবে। তারপর ওই আলোচনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।

নিউজ হান্ট/ইস