ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার দায় সরকারকে নিতে হবে: ফখরুল

15

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঘটনার দায় সরকারকে নিতে হবে।

ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে আজ সোমবার (২৯মার্চ) সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ দেশের কয়েকটি স্থানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষে নিহত ও আহতের প্রতিবাদে এই সমাবেশের আয়োজন করা হয়।

মির্জা ফখরুল বলেন, ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। তখন জনগণ তা রায় দেবেন। জনগণ তার পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচন করতে পারবেন। তখন স্বৈরাচারের পতন ঘটবে।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রক্ত ঝরানোর দায় সরকারকে নিতে হবে। গত কয়েকদিনে সরকারের পেটুয়া বাহিনী দিয়ে জনগণের ওপরে হামলা ও নির্যাতন চালানো হয়েছে। এভাবে সরকার ক্ষমতায় থাকতে পারে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই সরকারের পতন ঘটাতে হবে।

সমাবেশে বিএনপি নেতারা অভিযোগ করে বলেন, সরকারের পুলিশ বাহিনী এ পর্যন্ত ১৭ জনকে হত্যা করেছে। স্বাধীন দেশের স্বাধীনতা দিবসে মানুষ হত্যা ও পুলিশী হামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়। এর মাধ্যমে স্বাধীনতাকে কলুষিত করেছে। মসজিদে হামলা করা হচ্ছে। দেশকে একটি সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিএনপি চায় ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হোক, না হলে খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপি এই অন্যায় কঠোরভাবে প্রতিহত করবে।

আজ সোমবার (২৯ মার্চ) সকাল ১০টার দিকে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হওয়ার কথা থাকলেও সাড়ে ৯টার দিকে দলটির নেতাকর্মীরা জড়ো হয়ে সমাবেশ শুরু করে। তার আগে রাজধানীর বিভিন্ন থানা থেকে মিছিল নিয়ে প্রেসক্লাবে আসেন নেতাকর্মীরা। এছাড়া সারাদেশে বিএনপির প্রতিবাদী বিক্ষোভ হয়েছে।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক ও ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল, প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল, আন্তর্জাতিক বিষয়ক উপকমিটির সদস্য ও দক্ষিণ সিটির সাবেক মেয়র প্রার্থী ইশরাক হোসেন প্রমুখ।

নিসউজ হান্ট/এনএইচ