ভোজ্য তেলের দাম লিটারে ৩ টাকা কমলো

35

ভোজ্য তেলের দাম প্রতি লিটারে ৩ টাকা কমানো হয়েছে। ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে ভোজ্য তেল অ্যাসোসিয়েশন এ দাম কমায়। আজ সোমবার (৩ মে) দুপুরে ভোজ্য তেল অ্যাসোসিয়েশন এক বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান প্রেক্ষাপট বিবেচনায় রোজা এবং করোনার এই সংকটে ভোক্তা সাধারণের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনায় অ্যাসোসিয়েশন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুরোধে ঈদ পর্যন্ত ভোজ্য তেলের দাম লিটারে তিন টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

এর আগে, গত ১১ এপ্রিল রমজান মাসে পণ্যের দাম সহনীয় রাখার অংশ হিসেবে অপরিশোধিত সয়াবিন তেল ও পামওয়েলের তেলের ওপর ৪ শতাংশ অগ্রিমকর প্রত্যাহার করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড(এনবিআর)।

এর আগে মার্চের মাঝামাঝি আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হয়।

তখন মিল গেইটে প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় ১১৩ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ১১৫ টাকা ও খুচরায় ১১৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এক লিটার সয়াবিন তেলের বোতলের দাম মিল গেইটে ১২৭ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ১৩১ এবং খুচরায় ১৩৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

আর ৫ লিটারের বোতল মিল গেইটে ৬২০ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ৬৪০ টাকা এবং খুচরা পর্যায়ে ৬৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

এছাড়া প্রতি লিটার খোলা পাম তেলের দাম নির্ধারণ করা হয় মিল গেইটে ১০৪ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ১০৬ টাকা এবং খুচরায় ১০৯ টাকা।

তার আগে, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বিপণন ও পরিবেশক বিষয়ক জাতীয় কমিটির সভায় প্রতিলিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম মিল গেইটে ১২৩ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ১২৭ টাকা এবং খুচরায় ১৩৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম মিল গেইটে ৫৮৫ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ৬০০ টাকা এবং খুচরায় ৬২৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বাংলাদেশে যে তেল ব্যবহার হয়, তার ৭০ শতাংশই পাম সুপার। আগে এর প্রতি লিটারের দাম ছিল মিল গেইটে (খোলা) ৯৫ টাকা, ডিলার পর্যায়ে ৯৮ টাকা এবং খুচরা বাজারে ১০৪ টাকা।

নিউজ হান্ট/আরকে

পূর্ববর্তী নিবন্ধ৯ দিনের রিমান্ডে হেফাজত নেতা হারুন ইজাহার
পরবর্তী নিবন্ধভারতে করোনা শনাক্ত ২ কোটি ছুঁই ছুঁই