যশোরে বেশি দামে এলপি গ্যাস বিক্রি, নজর নেই প্রশাসনের

11

যশোর থেকে এম.এইচ.উজ্জল: পহেলা জুন থেকে এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে জ্বালানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। তবে চারদিন পার হলেও যশোরে এলপি গ্যাস বিক্রি হচ্ছে আগের দামেই। এ নিয়ে প্রশাসনেরও কোনো নজরদারি চোখে পড়েনি।

গত ৩১ মে বিশ্ববাজারে দাম কমায় দেশে বেসরকারি খাতে ১২ কেজির সিলিন্ডারের সর্বোচ্চ মূল্য মূসকসহ ৮৪২ টাকা নির্ধারণ করে বিইআরসি। যা পহেলা জুন থেকে কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও যশোরের বাজারে কার্যকর করেনি বেশিরভাগ ব্যবসায়ী।

গ্যাসের নতুন দাম কার্যকর করতে স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ দেয় বিইআরসি। নির্দেশে বলা হয়, কোনো ব্যবসায়ী নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দরে বিক্রি করতে পারবেন না। অথচ যশোরের ব্যবসায়ীরা এসব সিলিন্ডারের দাম রাখছে ৯৫০ থেকে ৯৮০ টাকা। যা নির্ধারিত দামের তুলনায় ১০৮ থেকে ১৩৮ টাকা বেশি।

সরেজমিনে বিভিন্ন খুচরা দোকানে গিয়ে দাম শুনলে তারা এমন দামের কথা জানায়। কথা হয় খুচরা বিক্রেতা সরদার এন্টারপ্রাইজের মালিক রুবেল হোসেনের সাথে। তিনি জানান, আমরা এখনো আগের মূল্যে ক্রয় করছি যার ফলে সরকারের ঘোষিত থাকলেও কম দামে বিক্রয় করতে পারছি না। ক্যাশ মেমো দেখতে চাইলে ২ জুন ক্রয় করা ১০টা এলপি গ্যাসের ক্যাশ মেমো দেখান তিনি।

সেখানে দেখা যায়, ১০ ওমেরা সিলিন্ডার ক্রয় করেছেন ৯ হাজার টাকায়। বিষটি জানার জন্য মেসার্স আকিজ ফুয়েল এজেন্সি (ওমেরা গ্যাস ডিস্ট্রিবিউশন কোং লিঃ) এর ম্যানেজারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, পত্রিকায় ১২ কেজির সিলিন্ডার পহেলা জুন থেকে ৮৪২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে দেখেছেন তিনি।

বেশি দামে বিক্রির কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের কাছ থেকে কোম্পানি এখনো দাম বেশি নিচ্ছে তারপরও এবিষয়ে আমাদের মিটিং চলছে। ইতোমধ্যে আমরা কোম্পানিকে জানিয়েছি যে, নির্ধারিত মূল্যে আমাদের গ্যাস না দিলে আমরা আর গ্যাস ক্রয় করবো না। সেই সাথে আমরা আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে গ্যাস বিক্রয়ও বন্ধ করে দিয়েছি।

খোজ নিয়ে দেখা গেছে যশোরের বাজারে কোথাও ভালো কোম্পানির গ্যাস ৯৫০ টাকার নীচে বিক্রি হচ্ছে না। ব্যবসায়ীদের নির্ধারিত মূল্যে গ্যাস বিক্রি করতে যশোর জেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ক্রেতারা।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

পূর্ববর্তী নিবন্ধ৬০ হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আগুনে পোড়াল কোস্টগার্ড
পরবর্তী নিবন্ধসাতক্ষীরায় করোনা ওয়ার্ডে ৪ মৃত্যু