যেসব জেলাতেই নেই করোনা পরীক্ষার ল্যাব

11

দেশের ৬৪ জেলার অর্ধেকেই করোনার নমুমা পরীক্ষার আরটিপিসিআর ল্যাব। অথচ এরই মধ্যে কেটে গেছে করোনা মহামারির দেড় বছর। এমনকি উচ্চ সংক্রমণ জেলা চাপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর জেলায়ও নেই পিসিআর ল্যাব। ফলে ৩২ জেলার নমুনার ফলাফল পেতে অন্য জেলার ল্যাবের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ এখন দেশে করোনার উচ্চ সংক্রমণ জেলা। জেলায় চলছে সর্বাত্মক লকডাউন। তবে এখানে এখনও পিসিআর ল্যাব স্থাপন হয়নি। করোনার নমুনা সংগ্রহ করে প্রতিদিন পরীক্ষার জন্য পাঠিানো হয় রাজশাহীতে।

বর্তমানে অধিক সংক্রমণের জেলা নওগাঁ, নাটোরেও নেই পিসিআর ল্যাব। এই দুই জেলাকেও নমুনা পরীক্ষা করার জন্য রাজশাহীর ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। ফলাফল পেতে দুই থেকে তিন দিন লেগে যায়।

দেশে মোট ১৩১টি করোনার নমুনা পরীক্ষার ল্যাব। এর ৮০টিই ঢাকায়। বাকিগুলো ৩১ জেলায়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, ৩২ জেলায় নেই পিসিআর ল্যাব। সারা দেশে ৪৪টি জিনএক্সপার্ট মেশিন আছে। যা দিয়ে খুব অল্প নমুনা পরীক্ষা করা যায়।

এদিকে গতকালও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে সর্বোচ্চ মারা গেছে ১৬ জন। হাসপাতালগুলোতে দেখা দিয়েছে শয্যা সংকট, ফাঁকা নেই আইসিইউ।

করোনা মোকাবিলায় খুলনার সদর, সোনাডাঙ্গা ও খালিশপুর থানা এবং রুপসা উপজেলায় আজ থেকে ৭ দিকের কঠোর বিধি-নিষেধ আরোপ করা হয়েছে। সাতক্ষীরায় শনিবার থেকে ৭ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনা সংক্রমণ হার ও মৃত্যু বেড়েই চলছে। তারপরও লকডাউন চলছে ঢিলেলাঢালাভাবে। স্বাস্থ্যবিধি মানতে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোন সচেতনতা নেই।

এক সপ্তাহে রাজশাহী মেডিকেলে মৃত্যু হয়েছে অর্ধশতাধিক মানুষের। গতকালও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনায় ৯ জনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে চাপাইনবাবগঞ্জের ৫, রাজশাহী ২, নওগাঁ ও পাবনা জেলার দুইজন।

নিউজ হান্ট/ম

পূর্ববর্তী নিবন্ধরামেকে করোনায় আরো ৮ জনের মৃত্যু
পরবর্তী নিবন্ধসাতক্ষীরায় ৭ দিনের লকডাউন শুরু