রাজধানীতে কখন কোথায় ঈদের জামাত

12

রাত পোহালেই ঈদ। করোনাভাইরাস মহামারির কারণে সাধারণ সময়ের মতো এবার খোলা মাঠে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। ঈদ জামাত হবে মসজিদের ভেতরে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে।

নামাজ আদায় করতে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমসহ বড় বড় মসজিদগুলো এরইমধ্যে ঈদ জামাতের জন্য বড় ধরনের প্রস্তুতি শেষ করেছে।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে প্রতিবছরের মতো এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পর্যায়ক্রমে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমটি সকাল ৭টায়, দ্বিতীয় জামাত ৮টায়, তৃতীয়টি সকাল ৯টায়, চতুর্থ জামাত হবে সকাল ১০টায়। সর্বশেষ ঈদ জামাতটি হবে সকাল পৌনে ১১টায়।

অন্যদিকে ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও ৯টায়, বায়তুল আমান মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায়, ঈদগাহ মাঠ মসজিদে ৮টায় ও সোবহানবাগ জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

রাজধানীর গুলশান সেন্ট্রাল মসজিদে সকাল ৬টা, সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৯টায় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। পুরান ঢাকার চকবাজার শাহী মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায় দু’টি জামাত হওয়ার কথা রয়েছে। বড় কাটারা মাদরাসা মসজিদে ঈদ জামাত হবে সকাল ৮টায়। লালবাগ শাহী মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় একটি জামাত হবে।

মহাখালীর মসজিদে গাউসুল আজমে তিনটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ ও শহীদুল্লাহ হল জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টায় ঈদ জামাত হওয়ার কথা রয়েছে।

আজিমপুর কবরস্থান মসজিদে সকাল ৭টা, ৮টা, ৯টা ও ১০টায় চারটি জামাত হবে। মিরপুর দারুসসালাম লালকুঠি বড় মসজিদে সকাল ৭টায় একটি জামাত হবে। পুরান ঢাকা তারা মসজিদে সকাল সাড়ে ৮টা ও ৯টায়, রায়সাহেব বাজার জামে মসজিদে সাড়ে ৮টায়, নিমতলী ছাতা মসজিদে সকাল ৮টা ও ৯টায়, আগামছি লেন জামে মসজিদে সকাল সাড়ে ৭টা ও সাড়ে ৮টায় এবং বায়তুল মামুর জামে মসজিদে সকাল সোয়া ৮টা ও ৯টায় ঈদের জামাত হওয়ার কথা রয়েছে।

বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইসলামি শরিয়তে ঈদের জামাত ঈদগাহ বা খোলা জায়গায় আদায়ের ব্যাপারে উৎসাহিত করা হলেও বর্তমান করোনা পরিস্থিতিতে মসজিদে আদায় করার জন্য অনুরোধ করা হলো। প্রয়োজনে একই মসজিদে একাধিক জামাত করা যাবে। এছাড়া ঈদগাহে কোলাকুলি, করমর্দন করা থেকে বিরত থাকাসহ নামাজ আদায়ে ১২ দফা নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

নির্দেশনা অনুসরণ করে যথাযথ সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে মসজিদের ইমাম-খতিব, মসজিদ ব্যবস্থাপনা কমিটি, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

পূর্ববর্তী নিবন্ধঅনন্য স্বাদের নবাবী সেমাই
পরবর্তী নিবন্ধপ্রধানমন্ত্রী হতে চান না সোনু সুদ