সদরপুরে তরমুজের বাজারে আগুন

12

ফরিদপুরের সদরপুর উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন হাঁট-বাজারে মৌসুমী ফল তরমুজের দাম আকাশ ছোঁয়া। ক্রেতাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। রমজানকে পুঁজি করে ব্যবসায়ীরা তাদের ইচ্ছে তরমুজের দাম হাকিয়ে নিচ্ছে। একেকটা তরমুজ ৫শ থেকে ৬শ টাকায় বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ করেছেন ক্রেতারা।

গত কয়েক দিনে তীব্র গরমে অতিষ্ঠ জনজীবন । এ তাপদাহ থেকে সামান্য পরিত্রাণ পেতে ইফতারে ধর্মপ্রাণ রোজাদাররা তরমুজই বেশি পছন্দ করেন। কিন্তু আকাশ ছোঁয়া দামের কারণে এখন আর তরমুজের স্বাদ নিতে পারছেন না নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষেররা। এরইমধ্যে তরমুজের দাম সাধারণ ক্রেতাদের হাতের নাগালের বাইরে চলে গেছে।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো তদারকি না থাকার কারণে ইচ্ছেমত দাম হাকিয়ে নিচ্ছে একধরণের অসাধু তরমুজ ব্যবসায়ী।

কৃষ্ণপুরের নাঈম মোল্যা নামে একজন বলেন, ভাই অনেক ইচ্ছা ছিল একটি তরমুজ কিনবো। রোজার সময় বাড়ির সবাইকে নিয়ে ইফতারি করবো। সেটা আর হলো না দামের কারণে।

উপজেলার সতের রশি গ্রামের আলমগীর হোসেন নামে একজন বলেন, আমি বাচ্চার ইচ্ছে পূরণ করতে একটি তরমুজ কিনেছি ৬শ টাকা দাম পড়েছে । এতো দামের কারণে তরমুজ আর সামনের দিনে কপালে জুটবে কি না !

তিনি বলেন, মাঠ পর্যায় থেকে সরাসরি সঠিক তদারকি করার প্রয়োজন তরমুজ সহ প্রতিটি নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের। একই চিত্র উপজেলা সদর সহ প্রতিটি হাঁট-বাজারে।

উপজেলার বিশিষ্টজন ও সাধারণ মানুষের দাবি, তরমুজ ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে অতিরিক্ত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে। তবে তারা মনে করেন, বাজার মনিটরিং করে কৃষক পর্যায় থেকে পাইকারদের উপর কঠোর নজরদারী করলে বাজারের স্থিতিশীল থাকবে।

উপজেলা সদর বাজারের তরমুজ ব্যবসায়ী মোকসেদ মোল্যা বলেন, ‘দাম না বেড়ে তো উপায় নেই। একদিকে লকডাউনের মাঝে মহাজনদের নিকট গিয়ে তরমুজ আগের থেকে বেশি দামে কিনতে হয়েছে। এছাড়া তীব্র গরম ও রোজার কারণে তরমুজের ব্যাপক চাহিদা থাকায় দামও বেড়েছে।’

নিউজ হান্ট/আরকে

পূর্ববর্তী নিবন্ধরাজশাহীতে নকল প্রসাধনীসহ একজন গ্রেপ্তার
পরবর্তী নিবন্ধনাটোরে সরকারি জায়গা দখল করে পুকুর খননের অভিযোগ