স্বাদের আমে ভরা বাজার, নিয়মিত খেলে কি সুগার বাড়ে?

18

জৈষ্ঠ্যের ভ্যপসা গরমে সামার ডিলাইট আম ছাড়া আর কিছু হয় না। হিমসাগর, মল্লিকা, আম্রপালি, ল্যাংড়া, গোলাপখাস কাকে ছেড়ে কাকে নেবেন। রসে বশে সবাই যে মিষ্টি। আর এই মিষ্টিটা বেশ ভালোরকমই মিষ্টি। ক্যালোরিতে ভরপুর, পুষ্টিতে ঠাসা আম খেলে সুগার বাড়তে পারে কিনা এই নিয়ে তর্ক বহুদিনের। এই ভয়ে ডায়াবেটিস রোগীরা স্বাদের এই আম থেকে দূরে থাকেন। তবে বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, সঠিক উপায়ে আম খেলে শরীরে সুগারের মাত্রা বাড়বে না।

এছাড়া যারা ওজন হ্রাস করার চেষ্টা করছেন তারাও আম খেতে পারেন। কারণ আমের কেবল স্বাদই নয়, পুষ্টির স্টোরহাউসও রয়েছে। এ জাতীয় পরিস্থিতিতে ডায়াবেটিস রোগীদেরও আমের পুষ্টি গ্রহণ এড়ানো উচিত নয়।

প্রথমে আম ধুয়ে ফেলুন এবং এর পরে খোসা ছাড়িয়ে টুকরা টুকরা করে কেটে নিন। আমের টুকরাগুলো পানিতে আধ থেকে এক ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। তারপর খান। ইতোমধ্যে প্রাকৃতিক মিষ্টি হওয়ায় চিনি পৃথকভাবে যুক্ত করবেন না। আপনি এই টুকরো সরাসরি খেতে পারেন বা এটিকে শেক হিসাবে ব্যবহার করতে পারেন।

আপনি যদি প্রতিদিন আধ কাপ আম খান তবে এটি প্রাকৃতিক রেচক হিসাবে কাজ করে এবং হজমের সমস্যাও সমাধান করে। ডায়েটিশিয়ানরা পরামর্শ দেন যে আপনার যদি হজমের সমস্যা হয় এবং আপনার চিনির মাত্রা খুব বেশি না হয় তবে আপনি প্রতিদিন এভাবে আম খেতে পারেন।

আম খাওয়ার পরে যদি আপনার চিনির স্তর নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তবে আপনি এটিতে কিছু বাদাম মিশিয়ে খেতে পারেন। বাদাম মিশ্রিত হয়ে গেলে আম উপভোগ করতে পারবেন এবং এটি করলে আপনার বেসিক চিনির স্তর বাড়বে না। এভাবে আম খেলে ডায়াবেটিস রোগীদের ওজন হ্রাস করা যাবে সহজেই।

আমে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকার কারণে ডায়াবেটিস রোগীর রক্তে শর্করার মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। সুগার রোগীরা প্রতিদিন একটি করে আম খেলেও চিন্তার কিছু নেই।

চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুসারে, আম সীমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত। আধা কাপ আম কারও পক্ষে ক্ষতিকারক নয় তবে অতিরিক্ত পরিমাণে ঝুঁকির কারণ হতে পারে।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

পূর্ববর্তী নিবন্ধসশরীরে পরীক্ষা নেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
পরবর্তী নিবন্ধবিয়েবাড়িতে মাছের মাথা নিয়ে দ্বন্দ্বে আহত ১১, থানায় মামলা