স্বাস্থ্যবিধি মেনে গণপরিবহন চালুর দাবি

17

দেশে করোনা সংক্রামণ ঠেকাতে সরকার ঘোষিত চলাচলে বিধিনিষেধ চলছে। এ অবস্থায় বন্ধ রয়েছে সকল গণপরিবহন। তবে আসন্ন ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে চলমান বিধিনিষেধে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে হলেও দ্রুত গণপরিবহন চালুর দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ বাস ট্রাক ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে এসব দাবি জানায় সংগঠনটির নেতারা।

এসময় কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শ্রমিকদের ঈদের বেতন-ভাতা পরিশোধে সরকারকে ৫ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দেয়ার আহ্বানও জানিয়েছে সংগঠনটি।

সংগঠনের চেয়ারম্যান রমেশ চন্দ্র ঘোষ বলেন, প্রতিদিন কমপক্ষে ২ কোটি যাত্রী গণপরিবহনে সড়ক পথে যাতায়াত করে থাকে। করোনা সংক্রমণ রোধে গত ৫ এপ্রিল থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউনে মালিক-শ্রমিক, কর্মচারীবৃন্দের পরিবার পরিজন নিয়ে এক মানবেতর জীবনযাপন করছে।

লকডাউনে গণপরিবহন বন্ধ থাকলেও পরিবহন পরিচালনার সংশ্লিষ্ট ব্যয় চলমান রয়েছে জানিয়ে সংগঠনের চেয়ারম্যান বলেন, কাউন্টার ভাড়া, গ্যারেজ ভাড়া, স্টাফ বেতন, পার্কিং চার্জ, গাড়ি পাহারা ও পার্টস ড্যামেজ। সব মিলিয়ে দৈনিক প্রতিটি কোম্পানি বড় অংকের ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। গত বছর ৯০ দিনের লকডাউনে সড়ক পরিবহন সেক্টরে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার ক্ষতি হয়, যা পরিবহন মালিকরা এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেনি।

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার জনসমাগম এড়াতে প্রথমে ৫ থেকে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করে। পরে এ নিষেধাজ্ঞা আরও বাড়িয়ে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। তবে সে সময় সরকারি-বেসরকারি অফিস, শিল্পকারখানা, গণপরিবহন চালু ছিল।

এরপর সরকার ১৪ এপ্রিল থেকে সর্বাত্মক লকডাউনে যায়, যাতে বন্ধ ছিল গণপরিবহন এবং দোকানপাট। সরকারের সর্বশেষ নির্দেশ অনুযায়ী, বলমান কঠোর বিধিনিষেধ অনুযায়ী আগামী ৫ মে পর্যন্ত গণপরিবহন বন্ধ থাকার কথা রয়েছে।

নিউজ হান্ট/এনএইচ

পূর্ববর্তী নিবন্ধবাংলাদেশিদের ইতালি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি
পরবর্তী নিবন্ধশিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে ২৩ মে