হতাশায় ভুগেছেন যেসব বলি তারকা

34

জীবনের পথে চলতে চলতে বহু কঠিন লড়াইয়ের সম্মুখীন হতে হয় মানুষকে। আবার সেই সময় কাটিয়ে ওঠেন। জীবনযুদ্ধে জয়ী হন মানুষ। তারকাদেরও খারাপ সময় থাকে, তারাও অনেকসময় হাঁপিয়ে ওঠেন। কোন কোন তারকা এই সময়ের মধ্যে দিয়ে গিয়েছেন, আসুন দেখে নেওয়া যাক।

মণীষা কৈরালা
মণীষা কৈরালা শারিরীকভাবে অসুস্থ ছিলেন। ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করেছেন অভিনেত্রী। কেউই আমরা জানি না তার মানসিক লড়াইটা। তার সাবেক স্বামী সম্রাট দালালের সঙ্গে সম্পর্কে ছিলেন তিনি। সেই থেকেই মানসিক সমস্যায় ভুগতেন অভিনেত্রী। ২০১২ সালে বিবাহ বিচ্ছেদ হয় তার। আস্তে আস্তে স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন তিনি।

বরুণ ধাওয়ান
বরুণ ধাওয়ান বলিউডে এনার্জেটিক স্টার হিসেবে পরিচিত। তবে তার হাসির পিছনেও যে একটি দুনিয়া আছে তা জানতেন না কেউ। ‘বদলাপুর’ ছবিতে তার অভিনয় দর্শকমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছিল। ছবিতে প্রতিশোধের দৃশ্য শুটিংয়ের পর তিনি ডিপ্রেশনে চলে যান। স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে সময় নিয়েছিলেন বেশ কিছুটা।

শাহরুখ খান
ড. জাহাঙ্গির খানকে পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছিলেন বলিউড বাদশা। ‘লাভ ইউ জিন্দেগি’ তেও গেয়ে উঠেছিলেন নিশ্চয়ই নিজের হতাশায়। ২০০৮ এ মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়েন শাহরুখ খান, তার কাঁধে একটি অপারেশন হওয়ার পরই হতাশার শিকার হন তিনি। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাতকারে নিজেই জানিয়েছিলেন এই খবর।

আনুশকা শর্মা
আনুশকা শর্মাকেও যতটা খুশি সামাজিক মাধ্যমের পোস্টে দেখেন, ততটা সুন্দর অতীত নয় ওনার। যেকোনো উদ্বেগেই শরীর খারাপ হয় আনুশকা শর্মার। এর জন্য তাকে চিকিৎসকের পরামর্শও নিতে হয়। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, মানসিক রোগ কোনো লুকিয়ে রাখার ঘটনা নয়, এতে লজ্জা পাওয়ারও কিছু নেই। সময়মত চিকিৎসা হলে কাটিয়ে ওঠা যায়।

অমিতাভ বচ্চন
বলিউড শাহেনশা অমিতাভ বচ্চন। তার কি চিন্তা থাকতে পারে? এ কথা ভাবলে ভুল করবেন। কঠিন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছে তাকেও। খ্যাতির শীর্ষে থেকেও বিপাকে ছিলেন অভিনেতা। ১৯৯৬ এ প্রযোজক হিসাবে সময় ভাল যাচ্ছিল না তার। বহু লোকসান হয়েছিল বিগ বির। প্রায় দেউলিয়া হয়ে যেতে হয়েছিল তাকে। কঠিন লড়াইয়ের মধ্যে দিয়ে সেই সময় পার করেছিলেন তিনি।

দীপিকা পাড়ুকোন
দীপিকা পাড়ুকোনের বিষয় সকলেরই জানা। তিনি এই বিষয়ে কখনও ঢাক ঢাক গুড় গুড় করেননি। প্রকাশ্যে চিকিৎসা করার পরামর্শ দিয়েছেন ফ্যানদের। কাউন্সিলিং করার আগে থেকেই প্রচুর কথা শুনতে হয়েছিল তাকে। সেই থেকে প্রচার করেন মানসিক রোগ লুকিয়ে রাখার বিষয় নয়। তিনি একটি ফাউন্ডেশন তৈরি করেন, যার নাম লাইভ লাভ লাফ। জীবনকে সম্পূ্র্ণভাবে উপভোগ করার কথাও বারবার মনে করিয়ে দেন এই অভিনেত্রী।

করণ জোহর
করণ জোহর অত্যন্ত সফল একজন পরিচালক। তবে জীবনসঙ্গী খোঁজার ক্ষেত্রে বেশ কাঠখড় পোড়াতে হয়েছে তাকে। এখন তিনি দুই ছেলেমেয়ের বাবা। তবে সিঙ্গেল ফাদার। জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার সময়ে তিনি দেখে নিয়েছেন। একটা সময় তিনি মনে করতেন তার জীবনসঙ্গী জুটবে না, আর সেই থেকেই হতাশা চরম পর্যায় পৌঁছয়। এখন দুই ছেলেমেয়েকে নিয়ে খুশিতে দিন কাটাচ্ছেন।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

 

পূর্ববর্তী নিবন্ধদুই ডিআইজিকে বদলি
পরবর্তী নিবন্ধস্মার্টফোন কিনতে ঋণ পাচ্ছেন ঢাবি শিক্ষার্থীরা