হেফাজতের ডাকা হরতাল নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিবৃতি

30

বঙ্গবন্ধু জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতা সুবর্ণজয়ন্তী উদযাপন অনুষ্ঠানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশে আগমনকে কেন্দ্র করে সারাদেশে হেফাজতে ইসলাম বিক্ষোভ করে। এতে চট্টগ্রাম হাটাহাজারী মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়। নিহত হওয়ার কারণে গতকাল শনিবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল এবং আজ রবিবার (২৮ মার্চ) সকাল-সন্ধ্যা হরতাল পালন করেছে হেফাজতে ইসলাম।

হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে রাজধানী ঢাকাসহ জেলা শহরগুলোতে প্রবাব না পড়লেও দুরপাল্লার বাস চলাচল বন্ধ ছিল।

এদিকে হেফাজতে ইসলামের বিক্ষোভ ও হরতালের পরিপ্রেক্ষিতে আজ রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা (সিনিয়র তথ্য অফিসার) মো. শরীফ মাহমুদ অপু স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত দুইদিন ধরে কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল ব্যক্তি ও গোষ্ঠী ধর্মীয় উন্মাদনায় চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলা এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর, সরাইল ও আশুগঞ্জ উপজেলার সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস করছে। যার মধ্যে উপজেলা পরিষদ, থানা ভবন, সরকারি ভূমি অফিস, পুলিশ ফাঁড়ি, রেল স্টেশন, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গের বাড়িঘর, প্রেসক্লাবসহ জানমালের ক্ষয়ক্ষতি করে যাচ্ছে। এ জাতীয় ক্ষয়ক্ষতিসহ সকল প্রকার উচ্ছৃঙ্খল আচরণ বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। অন্যথায় জনগণের জানমাল ও সম্পদ রক্ষার্থে সরকার কঠোর অবস্থান গ্রহণ করবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, সরকার আরও উদ্বেগের সঙ্গে পর্যবেক্ষণ করছে যে, স্বার্থান্বেষী মহল এতিম ছাত্র ও শিশুদের রাজনৈতিক উদ্দেশে রাস্তায় নামিয়ে সরকারি সম্পত্তিসহ জনগণের সম্পদ ও রাজনৈতিক, নেতৃবৃন্দের ঘরবাড়িতে অগ্নিসংযোগসহ নানা ধরণের অপকর্মে নিয়োজিত করায় প্রাণহানির মতো ঘটনা ঘটছে। তাছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসত্য, গুজব ছড়িয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে। এসব গুজব রটনাকারীসহ আইন অমান্য করে শান্তি-শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

নিউজ হান্ট/এনএইচ