হেফাজত ইসলামের কোনো নেতাকর্মী তাণ্ডব চালায়নি: নায়েবে আমির

3

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতে ইসলামের কোনো নেতাকর্মী তাণ্ডব চালায়নি বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির মাওলানা সাজিদুর রহমান।

আজ সোমবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

হেফাজতে ইসলাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জামিয়া ইসলামিয়া ইউনুছিয়া মাদরাসার প্রতিনিধি দল ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাব পরিদর্শনে আসেন। এসময় প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক জাবেদ রহিম বিজন ক্লাবে ভাঙচুরের বর্ণনা দেন। এরপর ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামি তার ওপর চালানো হামলার বিষয়টি হেফাজত ও মাদরাসা নেতৃবৃন্দের কাছে তুলে ধরেন।

তাণ্ডবের ঘটনায় দুঃখ পেয়েছেন উল্লেখ করে হেফাজতের নায়েবে আমির সাজিদুর রহমান বলেন, আমরা খুব দুঃখ পেয়েছি। কত দুঃখ পেয়েছি সেটি প্রকাশ করার ভাষা নেই। ভাঙচুরের জন্য আমাদের কর্মসূচিটাই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এজন্য দোষীদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিচারের দাবি জানাই। কিন্তু কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে যেন হয়রানি না করা হয়। আপনাদের (সাংবাদিক) মাধ্যমে আমরা প্রশাসনের কাছে সেই দাবি জানাই।

মাওলানা সাজিদুর রহমান আরও বলেন, হরতালের দিন আমাদের নেতৃবৃন্দের অবস্থান শুধু মাদরাসার সামনে ছিল। যারা এ ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটিয়েছে, ভিডিও ফুটেজ দেখে প্রকৃত দোষীদেরকে বের করে শাস্তির দাবি জানানচ্ছি। যারা সন্ত্রাসী কার্যকলাপ-ভাঙচুর করে তারা কোনোদিন হেফাজতে হতে পারে না। আমরা সমস্ত ভাঙচুরের প্রতিবাদ জানাই। এর সাথে যারা হত্যকাণ্ড ঘটিয়েছে এবং যারা উস্কানিদাতা তাদেরকেও চিহ্নি করা দরকার।

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, আলী আজম, বোরহার উদ্দিন কাসেমী, নোমান হাবিবী, এনামুল হাসান, মো. জাকারিয়া, তানভীর আহমেদ ও এরশাদুল্লাহ কাসেমী প্রমুখ।

উল্লেখ্য, নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের বিরোধীতা করে গত ২৬ থেকে ২৮ মার্চ পর্যন্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরকারি-বেসরকারি বেশ কয়েকটি স্থাপনায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে হেফাজতে ইসলামের কর্মী-সমর্থকরা। তারা ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেস ক্লাবেও ভাঙচুর এবং ক্লাবের সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন জামির ওপর হামলা চালায়।

নিউজ হান্ট/এনএইচ