বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২০, ২০২২

কেন খাবেন আখরোট

আরও পড়ুন

সন্তান ধারনে এইডস আক্রান্ত নারীর ঝুঁকি অনেক বেশি

যে ৩ বদ অভ্যাসে মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে কিডনির

গোসলের পানিতে যেসব জিনিস মেশালে তরতাজা হবে শরীর

আখরোট একপ্রকার বাদাম জাতীয় ফল। এই ফল অত্যন্ত পুষ্টিকর যাতে প্রচুর আমিষ এবং অত্যাবশ্যকীয় ফ্যাটি আসিড আছে। এই ফলটি গোলাকার এবং ভেতরে একটি বীজ থাকে। পাকা ফলের বাইরের খোসা ফেলে দিলে ভেতরের শক্ত খোলসযুক্ত বীজটি পাওয়া যায়; এই খোলসের ভেতরে থাকে দুইভাগে বিভক্ত বাদাম যাতে বাদামি রঙের আবরন থাকে যা এন্টি-অক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ। এই এন্টিঅক্সিডেন্ট তৈলাক্ত বীজকে বাতাসের অক্সিজেন থেকে রক্ষা করে ফলে তা খাওয়ার উপযোগী থাকে।

আখরোট অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ বাদাম। প্রতি ১০০ গ্রাম আখরোটে ১৫.২ গ্রাম প্রোটিন, ৬৫.২ গ্রাম স্নেহ পদার্থ এবং ৬.৭ গ্রাম ফাইবার থাকে। এর প্রোটিনের মধ্যে অনেকগুলো অত্যাবশ্যকীয় অ্যামিনো অ্যাসিড থাকে। বিস্তারিত দেখুন পাশের ছকে।

খাওয়ার নিয়ম
পুষ্টিবিদদের মতে,৪-৫ টি আখরোট পানিতে ভিজিয়ে রেখে সকালে খেতে পারেন। এভাবে খাওয়া হলে উপকার বেশি পাওয়া যেতে পারে৷ এছাড়াও দুধ ও মধুর সাথে মিশিয়ে খেলে এর পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি পায়।

আখরোটের গুণ
স্মৃতিশক্তি বাড়াতে- স্মৃতিশক্তি বাড়িতে তুলতে সাহায্য করে আখরোট। এতে থাকা ওমেগা থ্রি অবসাদ কাটাতেও সাহায্য করে। মস্তিষ্কের কোষের সজীবতা বজায় রাখতে সহযোগী হয়।

ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে- আখরোটে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে, যা সুস্থ ত্বকের জন্য বিশেষ উপযোগী। ত্বকের বলিরেখা কমাতে এবং বয়সের ছাপ দূর করতে প্রতিদিন খান আখরোট।

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে- চিকিৎসকরা বলেন যে, যে-কেন ধরনের বাদামই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে বিশেষত যাঁরা নিয়মিত আখরোট খান তাদের টাইপ ২ ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি অন্যদের তুলনায় অনেকটাই কম হয়।

চুলের জন্য- আখরোট এককথায় চুলের খাদ্য। আখরোটে থাকা বায়োটিন চুল স্ট্রেট করতে সাহায্য করে, চুল পড়া কমায় এবং চুলের গ্রোথ বাড়িয়ে তোলে।

শরীরের পক্ষে উপকারী- শরীরের জন্য অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট খুবই জরুরি। শরীরে ঘুরে বেড়ানো ফ্রি র‍্যাডিক্যালস হার্টের উপর চাপ ফেলে। আখরোটে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টস থাকে। এটি শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী।

মহিলাদের জন্য ভালো- চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, যে মহিলারা সপ্তাহে অন্তত পাঁচবার ৩০ গ্রাম করে আখরোট খান, তাদের টাইপ টু ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যন্ত কম। এই সমীক্ষা করেছে হার্ভার্ড স্কুল অফ পাবলিক হেলথ।

পেট পরিষ্কার- পেট পরিষ্কার রাখতে শরীরে ফাইবার থাকা অত্যন্ত জরুরি। সাধারণত যে খাবারগুলি থেকে শরীরে প্রোটিন আসে, সেগুলিতে ফাইবারের পরিমাণ অত্যন্ত কম। আখরোটে থাকা ফাইবার হজমক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

স্ট্রেস কম- আখরোটে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন বি থাকে, যা চামড়াকে বুড়িয়ে যেতে বাধা দেয়। বলা হয় ভিটামিন বি হল স্ট্রেস রিলিভার ও মুড ম্যানেজার। স্ট্রেস কম থাকলে আপনার চামড়া উজ্জ্বল হবে। ভিটামিন বি-এর সঙ্গে ভিটামিন ই মিশে তা শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কাজ করে।

শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ- শিশুর মস্তিস্কের বিকাশ ঘটাতে সাহায্য করে- একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে আখরোটে থাকা ভিটামিন ই, মোলাটোন, ওমেগা ৩, এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তাই ছোটবেলা থেকেই আপনার শিশুকে আখরোট খাওয়ানো অভ্যাস করুন।

ওজন নিয়ন্ত্রণ করে- বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে, নিয়মিত আখরোট খেলে ওজন কিন্তু নিয়ন্ত্রণে থাকে। কারণ এতে রয়েছে ওমেগা ৩, প্রোটিন এবং ফাইবার, যা দেহের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই আপনি নিয়ন্ত্রণে রাখতে চান তাহলে অবশ্যই আখরোট খান।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

সর্বশেষ

বিদায় নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

করোনায় একদিনে বিশ্বে ৩২ লাখ শনাক্ত

সন্তান ধারনে এইডস আক্রান্ত নারীর ঝুঁকি অনেক বেশি

কর্মবিরতির হুমকি রেল কর্মীদের

দেশে চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ড

স্বেচ্ছায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে শিল্পীর মৃত্যু