সোমবার, নভেম্বর ২৯, ২০২১

টি-টোয়েন্টির নতুন চ্যাম্পিয়ন অস্ট্রেলিয়া

আরও পড়ুন

এই একটা ট্রফি বাদে আইসিসির সবই জিতেছিল অস্ট্রেলিয়া। রোববার দুবাইয়ে নিউজিল্যান্ডকে ৮ উইকেটে হারিয়ে বাকি কাজটাও সেরে নিলো অসিরা। এটাই তাদের প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শিরোপা।

ওয়ানডের সবচেয়ে সফলতম দল। বিশ্বকাপ জেতা হয়েছে পাঁচ পাঁচবার। অথচ তাদেরই নেই একটি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ! আগের ছয় আসরে একবারই সুযোগ এসেছিল।

সেবার হাত ফসকে বেরিয়ে যায় শিরোপা। এবার আর কোনো ভুল নয়। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপার অপেক্ষা ফুরালো অস্ট্রেলিয়ার।

দুবাইয়ে টস হেরে ব্যাটিং করতে নেমে ৪ উইকেটে ১৭২ রানের পুঁজি পেয়েছিল নিউ জিল্যান্ড। কেন উইলিয়ামসনের অতিমানবীয় ৪৮ বলে ৮৫ রানের ইনিংসটি ছিল চোখ ধাঁধানো।

কিন্তু ডেভিড ওয়ার্নার ও মিচেল মার্শের পাল্টা জবাবে ম্যাচটা অস্ট্রেলিয়া শেষ করে ৭৭ বল আগে।

ওয়ার্নার ৫৩ রানে বিদায় নিলেও মার্শ ৭৭ রানে অপরাজিত থেকে জয় নিয়েই মাঠ ছাড়েন। মার্শের সঙ্গে ৬৬ রানের জুটি গড়ার পথে ২৮ রান করেন ম্যাক্সওয়েল।

এর আগে টস হেরে ব্যাটিং করা নিউজিল্যান্ড সাবধানী শুরু করে। ২ ওভার শেষে সংগ্রহ ছিল-১৩ /০। তৃতীয় ওভারে এসেই খোলস ছেড়ে বেরোন দুই ওপেনার। প্রথম বলেই ম্যাক্সওয়েলকে মাথার ওপর দিয়ে ছক্কা মেরে অভ্যর্থনা জানান সেমিফাইনালের নায়ক ডেরিল মিচেল।

ওই ওভারে আসে ১০ রান। তবে সেমিফাইনালের নায়ক মিচেলকে ১১ রানে হারিয়ে বেশ চাপে পড়ে কিউইরা। উইকেট না পড়লেও রান তুলতে সংগ্রাম করেছেন কেন উইলিয়ামসন-গাপটিল জুটি।

ইনিংসের নবম ওভারে এসে হাত খুলতে শুরু করেন উইলিয়ামসন। মিচেল মার্শকে টানা দুই চারে শুরু করেন ঝড়। ১১ তম ওভারে এসে তো আরও বিধ্বংসী কিউই অধিনায়ক। স্টার্ককে তুলোধুনা করে তুলে নেন ১৯ রান।

অবশ্য ওই ওভারে ২১ রানে ভাগ্যের সহায়তাও পেয়েছেন উইলিয়ামসন। সেই জীবন পেয়ে আরও দুরন্ত কিউই অধিনায়ক।

১২তম ওভারের প্রথম বলে গাপটিল ফিরলেও অবশ্য তেমন একটা সমস্যা হয়নি নিউজিল্যান্ডের। অন্য প্রান্তে যে অস্ট্রেলিয়ান বোলারদের ওপর ঝড় বইয়ে দিচ্ছিলেন উইলিয়ামসন।

১৩তম ওভারে ম্যাক্সওয়েলকে টানা দুই ছক্কায় ৩২ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন। নম্র চেহারার উইলিয়াসন তো অজিদের সামনে রুদ্ধ মূর্তি ধারণ করেছেনই, তাঁর সঙ্গে অন্যপ্রান্তে যোগ দেন এ বছর সবচেয়ে বেশি ছক্কা মারা গ্লেন ফিলিপসও। তৃতীয় উইকেট জুটিতে দুজনে মিলে গড়েন ৩৭ বলে ৬৮ রানের জুটি।

ফিলিপস-উইলিয়ামসনের ঝড়টা বেশি গেছে স্টার্কের ওপর দিয়ে। বাঁহাতি পেসার প্রথম তিন ওভারেই দেন ৫০ রান। ১৮তম ওভারে ফিলিপস (১৮) ও উইলিয়ামসনকে (৪৮ বলে ৮৫) ফিরলেও নিউজিল্যান্ড ১৭৩ রানের বড় লক্ষ্য দাঁড় করিয়েছিল।

তবে সবকিছুই শেষ পর্যন্ত ঢাকা পড়ে যায় ফাইনাল হারে। প্রথমবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেও যে সেটাকে শিরোপা দিয়ে রাঙাতে পারলেন না উইলিয়ামসনরা।

নিউজ হান্ট/ম

সর্বশেষ