সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১

দেশে ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট স্থাপনের পরিকল্পনা আছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

আরও পড়ুন

‘দেশে টিকা উৎপাদনের জন্য ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা আছে’ বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাবের পর থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ টিকা আবিষ্কার ও উৎপাদনের গুরুত্ব বাড়িয়ে দিয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে টিকা নিয়ে অধিকতর গবেষণা ও উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি অনুভূত হচ্ছে। মহামারি করোনাভাইরাসসহ বিভিন্ন ভাইরাস প্রতিরোধে টিকা উৎপাদনের লক্ষ্যে দেশে একটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ভ্যাকসিন ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা এবং টিকা নীতিমালা প্রণয়নের পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের রয়েছে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সদস্য আনোয়ার হোসেন খানের প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

চলতি সংসদে টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনের সাংসদ মো. একাব্বর হোসেনের মৃত্যুতে সংসদের রীতি অনুযায়ী শোকপ্রস্তাব গ্রহণের পর সংসদে আজকের বৈঠক মুলতবি করা হয়। তবে প্রধানমন্ত্রীসহ অন্য মন্ত্রীদের প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

সরকারি দলের সাংসদ এ কে এম রহমতুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ইউএন সাসটেইনেবল ডেভেলপমেন্ট সলিউশন নেটওয়ার্কের পক্ষ থেকে ২০১৫-২০ সময়ে এসডিজি অর্জনে সর্বোচ্চ সাফল্যের জন্য আমাকে এসডিজি প্রোগ্রেস অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। সম্মাননা প্রদানকালে করোনা মহামারির এই কঠিন সময়ে বাংলাদেশ ও বিশ্ব অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকার জন্য আমাকে “জুয়েল ইন দ্য ক্রাউন” বলে অভিহিত করা হয়।’

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, কোভিড-১৯ মহামারিতে সৃষ্ট বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সংকোচন, টিকাবৈষম্য প্রভৃতি বিশ্বের অনেক দেশেরই উন্নয়ন–অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করেছে। কিন্তু এই মহামারির মধ্যেও বাংলাদেশ যে অবিচলভাবে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জনে এগিয়ে যাচ্ছে, এ পুরস্কার তারই বিশ্ব স্বীকৃতি। এই পুরস্কার শত প্রতিকূলতার মধ্যেও বাংলাদেশের উন্নয়ন–অগ্রযাত্রাকে যেমন বিশ্বদরবারে তুলে ধরেছে, তেমনি বাংলাদেশের সক্ষমতার ওপর বিশ্ববাসীর আস্থা দৃঢ়তর করেছে। বাংলাদেশের জনগণই এই পুরস্কারের প্রকৃত অংশীদার। স্বাধীনতা অর্জন থেকে আজকের যত অর্জন, সবই হয়েছে দেশের মানুষের সমর্থন ও ভালোবাসার জন্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী এই পদক দেশের জনগণকে উৎসর্গ করেন।

নিউজ হান্ট/এএস

সর্বশেষ