সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১

‘দেশে অনুমোদনহীন ওষুধের দোকান সাড়ে ১২ হাজার’

আরও পড়ুন

দেশে সাড়ে ১২ হাজার ওষুধের দোকান রয়েছে বলে জানিয়েছেন, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্ব টেবিলে উত্থাপিত হয়।

সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরীর এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ২০২১ সালের আগস্ট পর্যন্ত শনাক্তকৃত ড্রাগ লাইসেন্স বিহীন ওষুধের দোকান ছিল ১২ হাজার ৫৯২টি। লাইসেন্স বিহীন দোকান শনাক্ত ও লাইসেন্স দেওয়া চলমান প্রক্রিয়া। ৫৫ জেলা কার্যালয় ও ৮ বিভাগীয় কার্যালয়ের মাধ্যমে সারা দেশে ওষুধ প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিয়মিত দোকান পরিদর্শন করেন। এ ক্ষেত্রে লাইসেন্স বিহীন দোকান শনাক্ত হলে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। নির্দিষ্ট ক্রাইটেরিয়া পূরণ করে দোকান মালিকদের ড্রাগ লাইসেন্স গ্রহণ করার সুযোগ রয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, জনস্বাস্থ্য নিরাপত্তার স্বার্থে ওষুধের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণে সরকার সচেষ্ট রয়েছে। নকল-ভেজাল ওষুধ বিক্রি প্রতিরোধে কঠোর সরকার। আর নকল ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের বিরুদ্ধে সরকার নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে মোবাইল কোর্টে ১ হাজার ৭১৫টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। এতে ৭ কোটি ৫৮ লাখ ১০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ৪৬টি ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন লাইসেন্স সাময়িক বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে হোমিও ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ১৭টি, হার্বাল ওষুধ উৎপাদনকারী ৪টি, এলোপ্যাথিক ৫টি, ইউনানী ৬ এবং আয়ুর্বেদিক ওষুধ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ১৪টি। একই সময়ে ১৪টি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের ওষুধ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ স্থগিত করা হয়।

নিউজ হান্ট/এএস

সর্বশেষ