রবিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২১

নোয়াখালীর এসপি ও শেখ সেলিমকে একহাত নিলেন কাদের মির্জা

আরও পড়ুন

নোয়াখালীর এসপি ও গোপালগঞ্জের সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ সেলিমকে একহাত নিলেন কাদের মির্জা।

তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে এখন একটা কথা প্রচার আছে, বাংলাদেশে অপরাজনীতির হোতাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন নাকি শেখ সেলিম সাহেব। শেখ সেলিম সাহেব শেখ পরিবারের লোক। আমাদের দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য। এক সময় মন্ত্রী ছিলেন কি কারণে মন্ত্রীত্ব হারিয়েছে জানি না?

শনিবার (২ অক্টোবর) রাত ৮টায় নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে লাইভে এসে তিনি এসব কথা বলেন।

কাদের মির্জা শেখ সেলিমের প্রতি বিনীত আহ্বান জানিয়ে বলেন, নেতৃত্বে আছেন নেতৃত্ব সুলভ কর্মকাণ্ড করবেন। না হলে জনগণ ঘৃণা ভরে আপনাদের প্রত্যাখ্যান করবে। কোনও সত্য গোপন থাকে না। কি করেন সব মানুষ জানে। আপনারা বঙ্গবন্ধু পরিবারের কলঙ্ক। আপনারা শেখ হাসিনার আত্মীয় হয়ে শেখ হাসিনাকে কলঙ্কিত করছেন।

কাদের মির্জা শেখ সেলিমকে উদ্দেশ্য করে বলেন, উনি গোপালগঞ্জ থেকে ভোট করে। সেখানে ৯৫ ভাগ মানুষ আওয়ামী লীগ করে। সেখান থেকে নির্বাচিত হন। উনি নোয়াখালী এসে ভোট করলে জামানত পাওয়ারও কোন পরিস্থিতি আমি দেখছি না। সারা বাংলাদেশে প্রচার আছে উনি ক্যাসিনো ব্যবসার সাথে জড়িত। আজকে ক্যাসিনো ব্যবসার সাথে জড়িত হয়ে অনেকে গ্রেফতার হয়েছে। অথচ তাদের হাত কত লম্বা, শেখ সেলিমদের। উনারা আজকে ধরা ছোঁয়ার বাহিরে।

তিনি আরও বলেন, সেই শেখ সেলিমের সাথে নাকি দেখা করেছে নোয়াখালীর অপরাজনীতির হোতারা। পঙ্গুত্বের অভিনয় করে শেখ সেলিমের কাছে গিয়েছেন। শেখ সেলিম নাকি ডিআইজি সাহেবকে বলে দিয়েছে আমার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। কিন্তু আপনি কোন কিছু যাচাই না করে কেন আমার বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেন।

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে কাদের মির্জা বলেন, আপনাদের আবার মাথায় ঢুকেছে জোর করে ভোট নিয়ে আপনারা পরবর্তী গভর্মেন্ট ফর্ম করবেন। এটা কি রাজনীতি। ভোট চুরি করে কি বঙ্গবন্ধু নেতা হয়েছেন। ভোট চুরি করে কি বঙ্গবন্ধু প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। আজকে আপনাদের মাথায় ঢুকেছে ভোট চুরি করুম। এলাকার সাথে সম্পর্কের দরকার নেই। ম্যাক্সিমাম এমপির এলাকার সাথে কোন সম্পর্ক নেই। ২-৪টি আসে লুট করে খাওয়ার জন্য। টিআর কাবিখার টাকা খাওয়ার জন্য আসে। এ অবস্থা দেশ চলছে। এভাবে দেশে চলতে দেওয়া যায় না।

ওবায়দুল কাদেরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদের মানুষের হৃদয়ে নেই। উনার লোকজন নারী আর টাকা নিয়ে ব্যস্ত। গত দুই বছরে কোম্পানীগঞ্জ-কবিরহাটে কোন উন্নয়ন হয়নি। ওবায়দুল কাদের উনার স্ত্রীর কথায় ঘুমিয়ে আছেন। ঘুমিয়ে থাকবেন। আপনার কবর রচিত হবে আগামী নির্বাচনে কোম্পানীগঞ্জে।

৩১ মিনিট ৩১ সেকেন্ডের লাইভের এক পর্যায়ে কাদের মির্জা নোয়াখালীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো.শহীদুল ইসলাম ও তাঁর মাকে নিয়ে (লেখার অযোগ্য) বাজে ভাষায় মন্তব্য করেন।

নিউজ হান্ট/ম

সর্বশেষ