সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১

বগুড়ায় আমন ধানের বাম্পার ফলন

আরও পড়ুন

বগুড়ায় এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের লক্ষ্যমাত্রার ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী কৃষি অফিসার ফরিদ আহম্মেদ।

তিনি জানান এবার বগুড়ায় ১ লাখ ৮০ হাজার ৮৪০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ লাখ ৮২ হাজার জমিতে আমন চাষ হয়েছে। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্র নির্ধারণ করা হয়েছে ৪ লাখ ৯৫ হাজার ৬৮২ মেট্রিক টন চাল আকারে।

লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে আমন উৎপাদনের আশবাদ ব্যক্ত করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ দুলাল হোসেন। তিনি আরো জানান, এবার আবহাওয়া অনুকূল থাকায় উৎপাদন ভালো হয়েছে। কৃষকরা আমনে ভালো দাম পেয়ে খুব শুশি।

জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, বুধবার পর্যন্ত জেলা ২৮ শতাংশ জমিতে ধান টাকা শেষ হয়েছে। হাটে প্রকার ভেদে আমন ধান বিক্রি হচ্ছে ৯০০ থেকে ১২০০ টাকা মণ।

জেলা খাদ্য বিভাগের খাদ্য কর্মকর্তা আশরাফুজ্জামান জানান, বগুড়ার হাটে নতুন আমন ধান বিক্রি হচ্ছে ১০৮০ টাকা মণ। ধানের ভালো দাম পেয় কৃষক খুশি বলে জানান এ খাদ্য কর্মকর্তা।

এদিকে দেখা গেছে, প্রতি বছরের মত বৃহত্তর রংপুর অঞ্চলের ধান কাটা শ্রমিকরা দলে দলে ছুটে আসছে বগুড়ায়। জেলায় এখন চলছে আমন ধান কাটার উৎসব। আমন ও বোরো মৌসুমে এ সব কৃষি শ্রমিকদের পদচারণায় ধান ক্ষেত মুখরিত হয়ে ওঠে। গানের তালে তালে ধান কেটে জমির মালিকের উঠানে পৌঁছে দিচ্ছে তারা।

জানা গেছে, ধান কেটে মাড়াই করে কৃষকের ঘরে ধান তুলে দেয়া পর্যন্ত তারা দিন মজুরি নিচ্ছেন জন প্রতি ৫শ’ টাকা। আবার অনেকে বিঘা চুক্তিতে ধান কাটছেন। যারা দিন বিঘা চুত্তিতে ধান কাটছে তারা প্রতি বিঘায় মজুরী নিচ্ছেন ৩২শ’ টাকা। চুক্তিতে ধান মজুররা দিনে ৮ বিঘা পর্যন্ত ধান কাটছেন বলে জানান রংপুরের গঙ্গাচরার শহিন সেলিম ও সুজন। তারা পরে এ টাকা নিজেদের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ করে নেন।

নিউজ হান্ট/এএস

সর্বশেষ