বুধবার, ডিসেম্বর ১, ২০২১

বাঘারপাড়ায় প্রবাসীর স্ত্রীকে কুপিয়ে জখম

আরও পড়ুন

প্রবাসীর স্ত্রীকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে। যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার মাহমুদর গ্রামের খান পাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বাঘারপাড়া থানায় মামলা করেছেন ভুক্তভোগীর মেয়ে সীমা খাতুন (২২)।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, খান পাড়ায় স্বামীর বাড়িতে কিশোর ছেলেকে নিয়ে বসবাস করে আসছেন পান্না (৪০)। স্বামী ফেরদাউস রহমান বেশ কয়েকবছর ধরে মালয়েশিয়া প্রবাসী। পারিবারিক দ্বন্দ্বের কারণে শনিবার দুপুরের দিকে পান্নাকে হামলা করেন প্রতিবেশি ওদুদ খান (৫০)। তিনি স্থানীয় সালামত খানের ছেলে।

এ সময় হাসুয়া দিয়ে ওদুদ খান পান্নাকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। পান্নার চিৎকারে পাশের বাড়ি থেকে শ্বশুরসহ প্রতিবেশীরা এসে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। এ সময় ওদুদ পালিয়ে যান।

হামলায় পান্নার মাথা, ঠোঁট ও ঘাড়ে ও হাতে মারাত্মক যখম হয়েছে। মাথায় ১১টি, ঠোঁটে ৬টি, ঘাড়ে ৮টি এবং হাতেও কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। ঢাকার নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পান্নার অবস্থা এখন সঙ্কটাপন্ন বলে জানা গেছে।

এই ঘটনায় ২৫ অক্টোবর (সোমবার) বাঘারপাড়া থানায় পান্নার মেয়ে সুমী খাতুন বাদি হয়ে ওদুদ খানকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন। মামলার নম্বর ১১।

মামলার বাদী সীমার স্বামীও মালয়েশিয়া প্রবাসী। সীমা গণমাধ্যমকে বলেন, শুরু থেকেই ছোটখাটো বিষয় নিয়ে ঝগড়া করতো ওদুদ। এর আগেও একবার মাকে কুপিয়েছিল। সেই মামলা চলমান রয়েছে। আমি ওদুদের বিচার চাই।

ওদুদ খানের বড় বড় ভাই মোস্তফা ঘটনা সম্পর্কে কিছু বলতে পারেননি। ঘটনার সময় তিনি বাড়ির বাইরে ছিলেন বলে জানান।
তার আরেক ভাই জাহাঙ্গীর বলেন, আমি বাজারে ছিলাম। সেখান থেকে বাড়িতে এসে দেখি এমন ঘটনা। পরে ভুক্তভোগীকে বাঘারপাড়া হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখান থেকে তারা যশোরে পাঠান।

ওদুদ সম্পর্কে তিনি বলেন, আমার ভাই বেশি একটা ভালো লোক না। আচার ব্যবহার খারাপ। ওদুদের বাড়ি ও পান্নাদের বাড়ি পাশাপাশি। তবে তাদের মধ্যে কী বিষয়ে ঝামেলা তা জানি না। এর আগেও একবার পান্নাকে কুপিয়েছিলেন ওদুদ। সেই মামলা চলমান রয়েছে।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই তাবারেক বলেন, এ বিষয়ে মামলা হয়েছে। আমি মামলাটির তদন্ত করছি। আসামীকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সর্বশেষ