বুধবার, ডিসেম্বর ১, ২০২১

বিশাল জয়ে বিশ্বকাপ শুরু স্বাগতিক ওমানের

আরও পড়ুন

লক্ষ্য বড় নয়। জয়ের জন্য ওমানের প্রয়োজন মাত্র ১৩০ রান। এই রান তুলতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি স্বাগতিকদের। পাপুয়া নিউগিনিকে ১০ উইকেটের বড় ব্যবধানে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে ওমান।

ওমানের জয়ে বল হাতে দারুণ ভূমিকা রেখেছেন মাকসুদ। তিনি ২০ রান খরচায় চার উইকেট নেন। আর ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৭৩ রানের ইনিংস খেলেছেন যতিন্দর সিং।

ওমানের আল আমিরাত ক্রিকেট গ্রাউন্ডে টস হেরে আগে ব্যাট করে ২০ ওভারে ৯ উইকেটে ১২৯ রান করেছিল পাপুয়া নিউগিনি। জবাব দিতে নেমে ৩৮ বল হাতে রেখে জয় তুলে নেয় ওমান। তারা বিনা উইকেটে করে ১৩১ রান।

রান তাড়ায় শুরু থেকেই দারুণ ছিল ওমান। দুই ওপেনার আকিব ইলিয়াস ও যতিন্দর সিংয়ের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে লক্ষ্য নিয়ে ভাবতে হয়নি ওমানকে। দুই ওপেনার মিলেই ওমানকে সহজে জয়ের দুয়ারে পৌঁছে দেন। ওপেনার আকিব ইলিয়াস করেন ৫০ রান। ৪৩ বলে তাঁর ইনিংসটি সাজানো ছিল চার বাউন্ডারি ও এক ছক্কা দিয়ে। যতিন্দর করেন ৪২ বলে ৭৩ রান। তাঁর ইনিংসে ছিল সাতটি চার ও চারটি ছক্কা।

এর আগে আজ রোববার (১৭ অক্টোবর) টুর্নামেন্টের প্রথম মাচে ব্যাটিংয়ের শুরুটা মোটেও ভালো হয়নি পাপুয়া নিউগিনির। ইনিংসের প্রথম ওভারে রানের খাতা খোলার আগেই উইকেট হারায় তারা। ওভারের পঞ্চম বলে নিউপাপুয়া গিনির ওপেনার টনি পালাকে সরাসরি বোল্ড করেন বিলাল খান। ৫ বল খেলে রানের খাতাও খুলতে পারেননি টনি পালা।

দ্বিতীয় ওভারে ফের ধাক্কা খায় পাপুয়া নিউগিনি। হারায় আরেক ওপেনার লেগা সিয়াকাকে। দুই উইকেট হারানোর চাপ সামলে দলকে উদ্ধার করার চেষ্টা করেন অধিনায়ক আসাদ। চার্লস জর্ডান আমিনিকে নিয়ে স্কোরবোর্ডে ৮১ রান যোগ করেন তিনি। ১১.৩তম ওভারে ভাঙে ওই জুটি। রানআউট হয়ে ফিরে যান আমিনি। চার বাউন্ডারি ও এক ছক্কায় ২৬ বলে ৩৭ রান করেন তিনি।

এরপর সেসে বাউকে নিয়ে কিছুক্ষণ লড়াই করেন আসাদ। তবে সেটা বেশিদূর যায়নি। দলীয় ১০২ রানেই আউট হয়ে যান আসাদ। চার বাউন্ডারি ও তিন ছক্কায় ৪৩ বলে ৫৬ রান করে বিদায় নেন তিনি। আসাদ ফেরার কিছুক্ষণ পর ফিরে যান সেসে বাউ।

দুই ব্যাটার ফেরার পর একে একে হতাশা দেখেছে পাপুয়া নিউগিনি। একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে তারা। রানের গতিও কমতে থাকে। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষ পর্যন্ত ১২৯ রানে থামে নিউগিনির ইনিংস।

ওমানের পক্ষে বল হাতে দারুণ খেলেন মাকসুদ। ২০ রান খরচায় সর্বোচ্চ চার উইকেট নেন তিনি। সমান দুটি করে উইকেট নেন কালিমুল্লাহ ও বিলাল খান

সর্বশেষ