বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২০, ২০২২

বড় পাত্রে চলছিল রান্না, ইউএনও এসে বন্ধ করলেন স্কুল শিক্ষার্থীর বিয়ে

আরও পড়ুন

নাটোর থেকে সুফি সান্টু: দশম শ্রেণীতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর বিয়ের জন্য চলছিল খাবারের আয়োজন। বড় বড় পাত্রে করা হচ্ছিল বরযাত্রীদের জন্য রান্না। সবাই বরের জন্য গভীর অপেক্ষায় ছিল। এসময় হঠাৎ করেই বর আসার আগেই বিয়ের আসরে উপস্থিত নাটোরের গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মোহাম্মদ তমাল হোসেন। ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাল্যবিয়ে বন্ধ করেন তিনি।

এ সময় কনের বাবার কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়। শুক্রবার দুপুরে উপজেলার খুবজীপুর ইউনিয়নের বিলশা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তমাল হোসেন ও এলাকাবাসীরা জানান, বিলশা গ্রামের বিলশা উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের বাল্যবিয়ের আয়োজন চলছিল। বর পার্শ্ববর্তী এলাকার বাসিন্দা। দুপুরের দিকে বর এবং বরযাত্রীর আসার জন্য অপেক্ষা করেছিল মেয়ের বাড়ির লোকজন। ঠিক এমন অবস্থায় গুরুদাসপুর থানা পুলিশের কয়েকজন সদস্যকে নিয়ে বিয়ে বাড়িতে উপস্থিত হন গুরুদাসপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ তমাল হোসেন। মেয়ের বাড়ির লোকজন ইউএনওকে নানা ভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে। তবে নানা আয়োজনের প্রস্তুতির ব্যাপারে কড়া জিজ্ঞাসাবাদ করলে মেয়ের পরিবার স্বীকার করেন তার মেয়েকে দেখতে আসবে। এরপর ইউএনও তমাল হোসেন সেই বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং ১৮ বছরের পূর্বে বিয়ে দিবে না মর্মে মুচলেকা নেয় তার পরিবারের কাছ থেকে।

ইউএনও মোহাম্মদ তমাল হোসেন জানান, গোপনীয় ভাবে খবর পাই বিলশা এলাকায় দশম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১৬ বছরের এক শিক্ষার্থীর বিয়ে দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে। তৎক্ষণাৎ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। বাল্যবিয়ে বন্ধে উপজেলা প্রশাসন বদ্ধ পরিকর।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

সর্বশেষ

বিদায় নিচ্ছেন সানিয়া মির্জা

করোনায় একদিনে বিশ্বে ৩২ লাখ শনাক্ত

সন্তান ধারনে এইডস আক্রান্ত নারীর ঝুঁকি অনেক বেশি

কর্মবিরতির হুমকি রেল কর্মীদের

দেশে চা উৎপাদনে নতুন রেকর্ড