সোমবার, নভেম্বর ২৯, ২০২১

শক্তিশালী পাকিস্তানের সামনে তারুণ্যের বাংলাদেশ

আরও পড়ুন

এক শিবিরে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল খেলার স্মৃতি, আরেক দিকে ভরাডুবির যন্ত্রণা। ক্রিকেটেীয় হিসাব-নিকাশে দুই মেরুতে থাকা বাংলাদেশ-পাকিস্তান শুক্রবার মিরপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টি মুখোমুখি হবে।

সদ্য শেষ হওয়া বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ৫ ম্যাচে নাকানি-চুবানি খেয়ে আসা বাংলাদেশ পথে ফিরতে স্কোয়াডে একঝাঁক তরুণকে স্মরণ করেছে, যাদের অনেকেই আবার কয়েক মাস টি-টোয়েন্টি খেলেন না।

বাংলাদেশের কন্ডিশনে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ যেকোনো সময় হুমকির কারণ হতে পারে, বিশেষ করে বাবর আজম এবং মোহাম্মদ রিজওয়ানের মতো ওপেনার থাকলে মোস্তাফিজ-তাসকিনদের ঘুম হারাম হওয়ারই কথা। ওদিকে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে সব আলো কেড়ে নিতে প্রস্তুত থাকবেন ফখর জামান এবং শোয়েব মালিকের মতো প্রসিদ্ধ দুই নাম।

লোয়ার-মিডল অর্ডারে চোখ রাঙাবেন স্পিনিং অলরাউন্ডার শাদাব খান এবং মোহাম্মদ নেওয়াজ।

সবকিছু ছাপিয়ে ক্রিকেট পিপাসুর চোখ থাকবে মিরপুরের উইকেটে। প্রাণহীন এই বদ্ধভূমি এবারও যদি ধীর লয়ের পিচ সাজিয়ে বসে তাহলে শাদাব-নেয়াজকে খেলাও কঠিন হয়ে যাবে দিশেহারা রিয়াদদের।

পেসের কথা স্মরণ করলে তরুণ ওপেনারদের চোখে ভাবসবে শাহিন শাহ আফ্রিদি। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অস্ট্রেলিয়া বিরুদ্ধে ওই শেষ ওভার বাদে পুরোটাই ছিলেন ছন্দে। সেখানে ৬ ম্যাচে নিয়েছেন ৭ উইকেট। তাকে সঙ্গে দিতে মুখিয়ে থাকবেন হারিস রউফ।

সেমিফাইনালে ক্যাচ মিস করা হাসান আলী গত কয়েক দিন ধরে মিরপুর একাডেমি মাঠে দারুণ পরিশ্রম করছেন। পেছনের স্মৃতি ভুলতে লং ক্যাচিংয়ে টানা ঘাম ঝরাতে দেখা গেছে তাকে।

এমন এক পাকিস্তানের সামনে বাংলাদেশ দলে নেই মুশফিকুর রহিমের মতো অভিজ্ঞ ব্যাটার। নির্বাচকেরা বিশ্রামের কথা বললেও বাংলাদেশের অন্যতম সেরা এই ক্রিকেটার জানিয়েই দিয়েছেন, তাকে মূলত বাদ দেয়া হয়েছে।

বিশ্বকাপে রীতিমতো খুড়িয়ে চলা সৌম্য এবং লিটন দাসেরও জায়গা হয়নি দলে। ডাক পেয়েছেন নাজমুল হোসেন শান্ত, সাইফ হাসান এবং ইয়াসীর আলী।

শান্ত-সাইফ টেস্টে নিয়মিত। ইয়াসীর ডিপিএলে ১২ ইনিংসে করেছেন ২৬৬।

নির্বাচকেরা লেগ স্পিনার আমিনুল ইসলাম, পেসার শহিদুল ইসলাম এবং উইকেটরক্ষক আকবর আলীকে রাখলেও তাদের খেলার সম্ভাবনা কম।

দায়িত্ব বলতে যা বোঝায়, তা সামলাতে হবে মাহমুদুল্লাহ রিয়াদকে। ফিনিশারের ভূমিকা বাদ দিয়ে মিডল অর্ডারে চাপ সামলাতে হতে পারে তাকে।

বিশ্বকাপে লজ্জার মাথা খেয়েছিল পাওয়ার প্লে। মোহাম্মদ নাইমকে এই জায়গায় উন্নতি করতে হবে। আফিফ হোসেন এবং নুরুল হাসানের দিকেও তাকিয়ে থাকবে দল।

স্বস্তির কিছু যদি থেকে থাকে, তার নাম তাসকিন আহমেদ। আমিরাতে ৬ ম্যাচে ৬.৫০ িইকোনমি রেটে ৬ উইকেট নিয়েছিলন। তার পাশাপাশি মোস্তাফিজও স্বস্তির পরশ অোনতে পারেন।

সবেধন নীলমনি সাকিব আল হাসান নেই বলে মেহেদী হাসান এবং নাসুম আহমেদকে হতে হবে পাঞ্জেরি।
কিন্তু কথা একটাই-পথে যদি না হয় দেরি..

নিউজ হান্ট/আরকে

সর্বশেষ