সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১

শীতে ত্বকের যত্নে ঘরে তৈরি করুন আয়ুর্বেদিক তেল

আরও পড়ুন

শীতকাল মানেই রুক্ষ-শুষ্ক ত্বক নিয়ে নাজেহাল। নামী-দামি ক্রিম লাগিয়েও জেল্লা অধরাই থেকে যায় অনেকেরই। সবচেয়ে ফলপ্রসূ হতে পারে যদি বাড়িতেই বানিয়ে নেন কিছু তেল।

মুখের সৌন্দর্যচর্চায় কুমকুম তেল: যাদের ত্বক রুক্ষতার জন্য জৌলুসহীন হয়ে পড়ছে তারা ৫০ গ্রাম পরিমাণ নারকেল তেলে ৪-৫ গ্রাম জাফরান মিশিয়ে কাচের শিশিতে মুখবন্ধ অবস্থায় দিন চারেক রোদে দিন। তারপর নিয়মিত রূপে এটি ব্যবহার করলে ত্বকের রুক্ষতা দূরীভূত হয়ে মুখের লাবণ্য ও কান্তি ফেরে।

ত্বকের পুষ্টিরক্ষায় অশ্বগন্ধা-বলা তেল: ১০০ গ্রাম মতো জৈতুনের তেলে ৫ গ্রাম অশ্বগন্ধা ও ৫ গ্রাম বলাচূর্ণ মিশিয়ে মৃদু আঁচে পাক করে ছেঁকে রাখুন। এই তেলের অভ্যঙ্গ ত্বকের পুষ্টি রক্ষায় অদ্বিতীয়।

ব্যথা-বেদনা উপশমে নিশিন্দা তেল: শীতকালে শরীরে বাতের যন্ত্রণায় প্রায়ই যারা কষ্ট পাচ্ছেন তারা ১০০ গ্রাম তিলতেল মৃদু গরম করে একমুঠো পরিমাণ নিশিন্দা পাতা দিয়ে মৃদু তাপে জ্বাল দিন।পাতাগুলো তাপে বাদামী বর্ণের হতে শুরু করলে তেলটি নামিয়ে ছেঁকে রাখুন। বাতের প্রাথমিক স্তরের ব্যথায় নিশিন্দা তেলের ব্যবহার বেশ ফলপ্রসূ।

চুলের পরিচর্যায় আমলা ভৃঙ্গরাজ তেল: কাচের বোতলে পরিমাণমতো নারকেল তেলের সঙ্গে শুকনো আমলা ও ভৃঙ্গরাজ মিশিয়ে রাখুন। নিয়মিত এই তেল ব্যবহারে চুল থাকে স্বাস্থ্যোজ্জ্বল ও ঝলমলে।

তিলের তেল: দ্রব্যগুণ দৃষ্টিকোণে তিলতেল গুরুগুণ যুক্ত, বলকারক, বর্ণ প্রসাদক, সূক্ষ্মস্রোতগামী, বাতনাশক, পুষ্টিকারক, শরীর লঘুতাকারী এই তিল তৈলাভ্যঙ্গ চর্ম, কেশ ও চক্ষুর হিতকারক।

সরিষার তেল: খাঁটি সরষের তেল উষ্ণ স্পর্শ, লঘু, তীক্ষ্ণ গুণযুক্ত অন্যদিকে এটি কফ, মেদ, শিরোরোগ, কর্ণরোগ ও দুষ্টব্রণ নাশক।

নারিকেল তেল: এটি গুরুগুণ যুক্ত, পুষ্টিকারক, বাত পিত্তপ্রশমক, শ্বাস, কাশ, স্মরণশক্তি হীনতায় প্রশস্ত।

নিউজ হান্ট/কেএইচ

সর্বশেষ