রবিবার, অক্টোবর ১৭, ২০২১

সিডনির লকডাউন শিথিল, উল্লসিত বাসিন্দারা

আরও পড়ুন

করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় চার মাস টানা লকডাউন থাকার পর খুলে দেওয়া হলো সিডনির পাবলিক প্লেস৷ তবে শুধু সম্পূর্ণ টিকাধারীদের জন্যই নিয়ম শিথিল করা হয়েছে৷

করোনা সংক্রমণের হার কমে আসায় এবং শতকরা ৭০ ভাগ লোক পুরোপুরো টিকার আওতায় আসার পর সোমবার থেকে সিডনির বার, রেস্টুরেন্ট, ব্যায়ামাগার ও অফিস-আদালত অর্থাৎ বিভিন্ন ধরনের পাবলিক প্লেস খুলে দেওয়া হয়েছে৷ খবর ডয়চে ভেলের

সবকিছু খুলে দেওয়ায় আনন্দিত সিডনিবাসী উপলক্ষ্য উদযাপন করতে রাস্তায় নেমে এসেছেন৷ সোমবার রাত ১২টা এক মিনিটে শহরের বেশ কিছু রেস্তোঁরা বেশ জমজমাট দেখা গেছে৷ উৎসব উদপযাপনের মতো করে সেসসব রেস্তোঁরায় স্থানীয়দের ভিড় করতে দেখা গেছে৷

গত জুন মাসে সিডনিতে ডেলটা ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণ বাড়তে থাকায় কঠোর লকডাউন আরোপ করেছিল কর্তৃপক্ষ৷

লকডাউনের কারণে যে ৫০ লাখ লোকের সিডনি শহরের জীবন-যাপন নিরানন্দ হয়ে ওঠেছিল তা আঁচ করা গেছে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও৷ স্কট মরিসন বলেন, ‘লকডাউন তুলে দেওয়ার এ মুহূর্তটি পরিবার ও বন্ধুদের নিয়ে উপভোগ করুন৷ অনেকেই আজকের এ দিনটির অপেক্ষায় ছিলেন৷ আমরা এ দিনটি উদযাপন করব৷’

এদিকে নিউ সাউথ ওয়েলস রাজ্যের প্রধান ডমিনিক পেরোটেট এ দিনটিকে ‘স্বাধীনতার দিন’ বলে উল্লেখ করেন৷ অবশ্য ডমিনিক কিন্তু জনগণকে সতর্ক করতে ভুলেননি৷ তিনি বলেন, ‘সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে৷ তা না হলে সংক্রমণ আবারো বাড়তে পারে৷’

তিনি বলেন, ‘এখনো কিছু সীমাবদ্ধতা আছে৷ লকডাউন আসলে সবার জন্য তুলে দেওয়া হয়নি৷ আস্তে আস্তে সব কিছু খুলে দেওয়া হচ্ছে৷ পরস্পরের সহযোগিতায় আমরা সবকিছুই স্বাভাবিক করতে পারব এবং সবাইকে নিরাপদ রাখতে পারব৷’

করোনাভাইরাস মহামারির কারণে গত বছরের মার্চ মাস থেকে কঠোর লকডাউন চলছে দেশটির বিভিন্ন রাজ্যে৷ বন্ধ রয়েছে আন্তর্জাতিক যোগাযোগ৷ এমন কঠোর পদক্ষেপের ফলে দেশটিতে করোনা সংক্রমণ অন্য অনেক দেশের তুলনায় কম বলে দাবি করছেন কেউ কেউ৷

এ পর্যন্ত দেশটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ২৭ হাজার পাঁচশ৷ আর করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক হাজার চারশ ৪০ জন মারা গেছেন৷

নিউজ হান্ট/কেএইচ

সর্বশেষ