সোমবার, ডিসেম্বর ৬, ২০২১

হারানো স্বজনদের ফিরে পেতেই আখাউড়া বন্দরে আবেগঘন পরিবেশ

আরও পড়ুন

তৌহিদুর রহমান নিটল (ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে): ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৬ বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আগরতলা থেকে বাংলাদেশের আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে তারা বাংলাদেশে আসেন।

ফেরতরা হলেন- ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার চরকালি বাজাইল গ্রামের আলপনা খাতুন, বগুড়ার দুপচাচিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের জিয়ারুল ইসলাম, জামালপুর জেলা সদরের নারিকেলি গ্রামের মানিক মিয়া, ঢাকার কেরানিগঞ্জের রিনা আক্তার, কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের ভাস্কর টিলা গ্রামের হানিফা আক্তার, বগুড়ার দুপচাচিয়া উপজেলার জিয়ারুল ইসলাম।

দুপুরে আখাউড়া স্থলবন্দরের নো-ম্যান্স ল্যান্ডে তাদেরকে ভারত থেকে দেওয়ার সময় ভারতের ত্রিপুরাস্থ বাংলাদেশ সহকারি কমিশনার কার্যালয়ের হাইকমিশনার মোহাম্মদ জোবায়েদ হোসেন, প্রথম সচিব মো. রেজাউল হক, প্রথম সচিব ও দূতালয় প্রধান এস এম আসাদুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশে উপস্থিত ছিলেন, আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রুমানা আক্তার, বেসরকারি সংস্থা ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের কর্মসূচি প্রধান শরিফুল হাসান, আখাউড়া উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো. সাইফুল ইসলাম, আখাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মিজানুর রহমান, ইমিগ্রেশন পুলিশের ইনচার্জ মো. আব্দুল হামিদ।

পরিবার ও বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ফেরত আসা ৬ বাংলাদেশিই মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ত্রিপুরায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হতে আটক হন। পরে আদালতের নির্দেশে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। এদের অনেকেই এই হাসপাতালে চার থেকে পাঁচ বছর বা আরও বেশি সময় ধরে চিকিৎসাধীন ছিলেন। অবস্থার কিছুটা উন্নতি হওয়ার পর তাদের দেশে ফেরত আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

ফেরত আসা জিয়ারুলের আত্মীয় মোহাম্মদ রাজ্জাক জানান, ২০১৪ সালে তার স্ত্রী’র বোনের স্বামী জিয়ারুল নিখোঁজ হয়ে যান। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন।

আরেকজনের আত্মীয় বলেন, ‘একটি আনন্দের ঘটনার সাক্ষী হতে এসেছি। বছর দুয়েক আগে খবর পাই রীনা আক্তার ভারতে আছেন। এরপর সরকারি উদ্যোগে তাদেরকে দেশে আনা হয়।

নিউজ হান্ট/আরকে

সর্বশেষ